অতি অল্প ঐতিহ্যময় বৈশিষ্ট্য নিয়ে পরবর্তীকালে এই সমতল ছাদ বিশিষ্ট মন্দিরের যা দালান বা চাঁদনী মন্দির নামে পরিচিত, তার উদ্ভব হয়। উনবিংশ শতাব্দীর আগে খুব কমই এ ধরনের স্থাপত্য ছিল। কোন কোন ক্ষেত্রে স্তম্ভগুলির মধ্যে টেরাকোটা বা পাথরের অলংকরণ দেখা যায়। কোথাও কোথাও পঙ্খের কাজও দৃষ্টিগোচর হত।
আকৃতি ও আয়তন সাপেক্ষে সমতল ছাদবিশিষ্ট মন্দিরগুলি চাঁদনী বা দালান নামকরণ করা হতো। এই মর্মে শোনা যায় যে সমতল ছাদ বিশিষ্ট ছোট মন্দিরগুলি কে বলা হতো চাঁদনী এবং বড় মন্দিরগুলিকে বলা হতো দালান। কখনো কখনো দ্বিতল মন্দিরও দেখা গেছে। জমিদাররা এইরকম ভাবে দুর্গা দালান , কালি দালান নির্মাণ করতেন। এই মন্দির গুলির ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকম আকার গত এবং পরিকাঠামগত সমন্বয় তৈরি করা হয়েছে।
The Dalan or Chandni Mandir, a flat-roofed temple style, emerged later, exhibiting minimal traditional features. This architectural style was uncommon before the 19th century. Occasionally, terracotta or stone decorations can be seen between the pillars, and in some cases, ‘pankha’ decorations are also present. Flat-roofed temples were referred to as Chandni or Dalan, depending on their shape and size. It is noted that smaller flat-roofed temples were called Chandnis, while larger ones were referred to as Dalans. Variations of this style include two-storied temples and other unique combinations. Landlords would often commission the construction of Durga Dalan and Kali Dalan temples in this style, resulting in a diverse range of shapes and structural combinations.
ভোগদণ্ড পশুপতিনাথ শিব মন্দির Bhogdanda Pashupatinath Shiva Temple
পশুপতিনাথ শিব মন্দির, ভোগদণ্ড (পিংলা) চিন্ময় দাশ এক সময় মন্দিরময় গ্রাম বলা হোত ভোগদণ্ডকে। বলা হবে নাই বা কেন? ষাট-সত্তরটি দুর্গাপূজা হোত এই একটি গ্রামে। সবগুলিই পারিবারিক পূজা। সবগুলিই আয়োজিত হোত প্রতিমা গড়ে, ধুমধাম করে। সবগুলিই ব্রাহ্মণবাড়ির পূজা। … ঘর ব্রাহ্মণের বাস ছিল তখন গ্রামটিতে। জানা যায়, এই পরিবারগুলির ভিতর নিজস্ব জমিদারী ছিল বেশ কয়েকজনের। […]
Read More
নেগুয়া শ্রীশ্রীগোকুলচন্দ্র জীউ মন্দির Negua Sri Sri Gokulchandra Jiu Temple
শ্রীশ্রীগোকুলচন্দ্র জীউ মন্দির, নেগুয়া (এগরা) চিন্ময় দাশ মহাপ্রভু চৈতন্যদেবের পদধুলি ধন্য মেদিনীপুর জেলা। স্বামী কেশব ভারতীর কাছে দীক্ষা গ্রহণের পর, গৌড়বঙ্গ ত্যাগ করে, রেমুনা হয়ে নীলাচলে গিয়েছিলেন মহাপ্রভু। তাঁর যাত্রাপথ ছিল এই জেলার উপর দিয়েই। পরবর্তীকালে শ্যামানন্দ প্রভুর ধর্মপ্রচারে গভীরভাবে প্রভাবিত হয়েছিল মেদিনীপুর জেলা। ধনী থেকে নির্ধন অগনিত মানুষ দীক্ষিত হয়েছিলেন গৌড়ীয় বৈষ্ণবধর্মে। সেই পটভূমিকায় […]
Read More
ধামতোড় রঘুনাথ মন্দির Dhamtor Raghunath Temple
রঘুনাথ মন্দির, ধামতোড় (ডেবরা) চিন্ময় দাশ খৃষ্টিয় একাদশ শতাব্দীর শেষ দিকে ওডিশার রাজা ছিলেন অনঙ্গ বর্মা চোড়গঙ্গদেব। বাংলার সীমান্তে অবস্থিত মেদিনীপুর জেলার প্রায় সমগ্র এলাকা তাঁর রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল। বাংলায় মুসলমান বিজয়ের গোড়ার দিকে, উৎকলরাজ ছিলেন অনঙ্গ ভীমদেব। রাজ্যের সীমানা আরও বিস্তার ঘটেছিল তাঁর সময়ে। ষোড়শ শতাব্দীর প্রায় মঝামাঝি, অর্থাৎ কলিঙ্গরাজ হরিচন্দন মুকুন্দদেবের মৃত্যু পর্যন্ত, […]
Read More
পলাশী লক্ষ্মীজনার্দন মন্দির Lakshmijanardan Temple, Palashi
লক্ষ্মীজনার্দন মন্দির, পলাশী (ডেবরা) চিন্ময় দাশ এক সময় ছিল, যখন মেদিনীপুর নগরীর চেয়েও আয়তনে বড় ছিল আনন্দপুর গ্রামটি। ইতিহাসে উল্লেখ আছে এ কথার। রেশমের ব্যবসা থেকে বিশেষ রকম আর্থিক সমৃদ্ধি হয়েছিল এখানকার অধিবাসীদের। রেশম উৎপাদক, রেশমশিল্পী, মহাজন, ফড়ে, ব্যবসায়ী– নানান জনের হাতে প্রচুর অর্থের যোগান আসছিল। গ্রামের অধিবাসীদের আর্থিক অবস্থার উন্নতির কারণে, অন্যান্য নানান জীবিকার […]
Read More
বারাঙ্গা রাধাবল্লভ মন্দির Baranga Radhaballabh Temple
রাধাবল্লভ মন্দির, বারাঙ্গা (থানা– রামনগর, মেদিনীপুর) চিন্ময় দাশ শ’-দুই বছর আগের কথা। ইংরেজ শাসনের প্রথম পর্ব তখন। ‘চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রথা’ কার্যকরী হয়েছে বড়লাট কর্নওয়ালিশ-এর ব্যবস্থাপনায়। বড় জমিদাররা কিছু সম্পত্তি দিয়ে, ছোট ছোট জমিদার নিয়োগ করতে পারতেন। ইজারাদার, পত্তনীদার, দর-পত্তনীদার ইত্যাদি নাম ছিল তাঁদের। মেদিনীপুর জেলার দক্ষিণ এলাকার একেবারে শেষ প্রান্ত। যেখানে দু’পা হাঁটলেই ওডিশার বালেশ্বর […]
Read More
পাইকপাড়ি লক্ষীজনার্দন মন্দির Paikpari Lakshmijanardan Temple
লক্ষীজনার্দন মন্দির, পাইকপাড়ি (থানা– ডেবরা, মেদিনীপুর) চিন্ময় দাশ পাইকপাড়ি– শ্যামল ছায়ায় ঢাকা একটি গ্রাম। পাইকদের বসতি ছিল, তাতেই এমন নাম হয়েছিল গ্রামটির। কোন রাজার পাইক, রাজ্য বা রাজধানীটাই বা ছিল কোথায়? দু’-চার কথায়, প্রথমে সে খবর জেনে নেওয়া যাক। বর্তমানে যে এলাকা ‘ডেবরা থানা’ নামে পরিচিত, পূর্বে তা ছিল সাহাপুর আর কুতুবপুর পরগণা। এছাড়া, কেদারকুণ্ড, […]
Read More