
পুর্বে উল্লেখিত এক রত্ন মন্দিরের ঢালু বাঁকানো ছাদের চার কোণে , তুলনায় ছোট চারটি রত্ন বা শিখর স্থাপন করে পঞ্চরত্ন মন্দির তৈরি হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে সমতল ছাদের ওপর একটি ঘর তৈরি করে কেন্দ্রে প্রধান চূড়া বা রত্ন এবং চার কোণে চারটি চূড়া বা রত্ন স্থাপন করে দোতলা পঞ্চরত্ন মন্দির তৈরি হয়েছে।
বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরে পঞ্চরত্ন রীতিতে নির্মিত শ্যাম রায় মন্দিরটি এই শৈলীর সবচেয়ে পুরানো নিদর্শন।
বিশিষ্ট মন্দির বিশেষজ্ঞ ডেভিড ম্যাককাচ্চন এই মন্দিরগুলিকে যে ভাবে ভাগ করেছেন সেগুলি হলো
ক
• চালা শৈলীর বুরুজ বিশিষ্ট পঞ্চরত্ন মন্দির (বৃহদাকার, ‘বাংলাদেশ’ ঘরানার) – সবকটি বুরুজ ই ‘চালা’ আকৃতির
• চালা শৈলীর বুরুজ বিশিষ্ট পঞ্চরত্ন মন্দির (বৃহদাকার, ‘বাংলাদেশ’ ঘরানার) – কেন্দ্রে অষ্টভুজাকৃতির প্রধান বুরুজ বিদ্যমান
খ
• রেখা-শৈলীর খাঁজযুক্ত চূড়া ও তিনটি প্রবেশপথ বিশিষ্ট পঞ্চরত্ন মন্দির – বৃহদাকার, ‘বাংলাদেশ’ ঘরানার
• চালা শৈলীর বুরুজ বিশিষ্ট পঞ্চরত্ন মন্দির (বৃহদাকার, ‘বাংলাদেশ’ ঘরানার) – বিষ্ণুপুর ঘরানা ও তার পরবর্তী সংস্করণসমূহ
• চালা শৈলীর বুরুজ বিশিষ্ট পঞ্চরত্ন মন্দির (বৃহদাকার, ‘বাংলাদেশ’ ঘরানার) – পশ্চিমবঙ্গীয় আদর্শ ঘরানা
• চালা শৈলীর বুরুজ বিশিষ্ট পঞ্চরত্ন মন্দির (বৃহদাকার, ‘বাংলাদেশ’ ঘরানার) – বক্ররেখাকার খাঁজযুক্ত
গ
• রেখা-শৈলীর খাঁজযুক্ত বুরুজ ও একটি প্রবেশপথ বিশিষ্ট পঞ্চরত্ন মন্দির – আদর্শ ঘরানা
• রেখা-শৈলীর খাঁজযুক্ত বুরুজ ও একটি প্রবেশপথ বিশিষ্ট পঞ্চরত্ন মন্দির – ‘রথ’ (raatha) প্রক্ষেপণ যুক্ত
ঘ
• মসৃণ রেখা-শৈলীর চূড়া বিশিষ্ট পঞ্চরত্ন মন্দির – সরল কার্নিশযুক্ত বুরুজ— তিনটি প্রবেশপথ
• মসৃণ রেখা-শৈলীর চূড়া বিশিষ্ট পঞ্চরত্ন মন্দিরসরল কার্নিশযুক্ত বুরুজ – একটি প্রবেশপথ
• মসৃণ রেখা-শৈলীর চূড়া বিশিষ্ট পঞ্চরত্ন মন্দিরবক্র কার্নিশযুক্ত বুরুজ — তিনটি প্রবেশপথ
• মসৃণ রেখা-শৈলীর চূড়া বিশিষ্ট পঞ্চরত্ন মন্দিরবক্র কার্নিশযুক্ত বুরুজ- একটি প্রবেশপথ
ঙ
‘গিরি গোবর্ধন’ ঘরানার পঞ্চরত্ন মন্দির
চ
খুব বড় কেন্দ্রীয় বুরুজ এবং তার চারপাশে ছোট ছোট কোণস্থ বুরুজ বিশিষ্ট পঞ্চরত্ন মন্দির
The Pancharatna Mandir, or Five-Pinnacled Temple, is an evolutionary design that builds upon the Ek Ratna Mandir. Four smaller gems or shikharas are strategically placed at the four corners of the sloping roof, complementing the central ratna.
In some variations, two-storied Pancharatna temples are constructed by adding a room atop a flat roof, featuring the main pinnacle or ratna at the center and four smaller pinnacles or ratnas at the corners.
A notable exemplar of this architectural style is the Shyam Roy Temple in Bishnupur, Bankura, which stands as the oldest known example of a Pancharatna temple.
Eminent expert David McCutcheon categorised these temples as
A
• Pancha ratna with Chala turrets massive Bangladesh type – • All turrets at chala
• Pancha ratna with Chala turrets massive Bangladesh type With octagonal central tower
B
• Pancharatna with ridged Rekha turrets and triple entrance Massive Bangladesh type
•Pancharatna with ridged Rekha turrets and triple entrance Bishnupur type and its latter modifications
• Pancharatna with ridged Rekha turrets and triple entrance Standard West Bengal type
• Pancharatna with ridged Rekha turrets and triple entrance With curved ridging
C
• Pancharatna with ridged Rekha turrets and single entrance Standard
• Pancharatna with ridged Rekha turrets and single entrance With raatha Projection
D
• Pancharatna with smooth Rekha Turrets – Turrets with straight cornice – triple entrance
• Pancharatna with smooth Rekha Turrets – Turrets with straight cornice – single entrance
• Pancharatna with smooth Rekha Turrets – Turrets with curved cornice – triple entrance
• Pancharatna with smooth Rekha Turrets – Turrets with curved cornice – single entrance
E
Pancha ratna Giri Govardhan type
F
Pancha ratna with vey large central Tower and small clustering corner Towers
G
• Pancharatna with straight cornice – With triple entrance
• Pancharatna with straight cornice – With single entrance
আনন্দপুর (কেশপুর) দামোদর মন্দির Anandapur (Keshpur) Damodar Temple
দামোদর মন্দির, আনন্দপুর (কেশপুর)চিন্ময় দাশ কেশিয়াড়ি আর আনন্দপুর– দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্ত বাংলার দুটি বিখ্যাত বয়নকেন্দ্র। রেশম আর সুতি বস্ত্রের উৎপাদনে পারঙ্গম এই দুটি কেন্দ্র আর্থিক সমৃদ্ধির শিখরে উঠেছিল এক সময়। শত শত তন্তুবায়ের উদয় হয়েছিল এ দুটিতে। সেই সাথে অনেকগুলি বণিক পরিবারও। অনেকগুলি দেবালয় গড়ে উঠেছিল দুটি জায়গাতেই। তারই একটি আনন্দপুরের এই দামোদর মন্দিরটি।বিভিন্ন উপায়ে অর্থ […]
Read More
জামনা (পিংলা) শ্রীধর মন্দির, Jamna (Pingla) Shridhar Temple,
শ্রীধর মন্দির, জামনা (পিংলা) চিন্ময় দাশ সওয়া দু’শ বছর আগের কথা। পিংলা থানার জামনা গ্রাম। সেখানে বাস ছিল দিন্ডা পদবীর এক পত্তনীদার জমিদারের। কুলদেবতার জন্য পঞ্চ-রত্ন রীতির সুদর্শন একটি মন্দির গড়েছিলেন জমিদাররা। এঁদের অতীত কথা বেশি জানা যায়নি। লোকশ্রুতি হিসাবে, এক শোলাঙ্কি বীরপুরুষ বীরসিংহের কথা জানিয়েছেন সেবাইতগণ। দিল্লী অধিকারের পর, সম্রাট আলাউদ্দিন খিলজী যখন বারংবার […]
Read More
বড়িষা (পিংলা) রাধাবিনোদ মন্দির
রাধাবিনোদ মন্দির, বড়িষা (পিংলা) চিন্ময় দাশ চন্দ্রকোনার রাজা আস্ত একটা জমিদারি অধিকার করে, কুলগুরুকে প্রণামী দিয়েছিলেন। জমিদারিটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল কেশপুর থানার আঢ়রাগড়ে। যে আঢ়রাগড়ে বসে চন্ডীমঙ্গল লিখেছিলেন কবিকঙ্কণ মুকুন্দরাম। আমরা এখানে বলব আর এক কাহিনী। সেই রাজা তাঁর পুরো একটি পরগনার রাজস্ব তুলে দিতেন কুলগুরুর হাতে, প্রণামী হিসেবে। একটি মন্দিরও গড়ে দেওয়া হয়েছিল গুরুদেবের জন্য। […]
Read More
তিলন্তপাড়া জানকীবল্লভ মন্দির, (সবং) Tilantapara Janakiballabh Temple (Sabang
তিলন্তপাড়া জানকীবল্লভ মন্দির, (সবং)চিন্ময় দাশ টেরাকোটা ফলক, স্টাকোর মূর্তি আর পঙ্খের অলংকরণ– তিনটি রীতিই প্রয়োগ করা হয়েছে এই মন্দিরে। এছাড়াও, কেবল সামনের দেওয়ালই নয়, মন্দিরের চারটি দেওয়ালই সাজিয়ে তোলা হয়েছে তিনটি মাধ্যমে– যেমনটা বড় একটা দেখা যায় না। এমনই এক মন্দির আছে মেদিনীপুর জেলার পিংলা থানায়। যে মন্দিরের প্রতিষ্ঠার কাহিনীটি ভারী মনোগ্রাহী।পূর্বকালে রীতি ছিল, সাধু-সন্ন্যাসীরা দল […]
Read More
শঙ্করআড়া রঘুনাথ মন্দির Shankarara Raghunath Temple
রঘুনাথ মন্দির, শঙ্করআড়া (তমলুক শহর ) চিন্ময় দাশ ভিতর বাড়ির বারান্দা। শালে বসে কাজ করছেন রামকুমার। কাঁসা-পিতলের কাজ তাঁদের বংশের ধারা। বাবা তিতুচরণ এই কাজ করতেন।করতেন তাঁর বাবাও। তারই ঠুক-ঠাক শব্দ উঠছে হাতুড়ির। হঠাৎই হুম-না হুম-না শব্দ কানে এল রামচরণের। আওয়াজটা একসময় সদরে এসে থামল যেন। এখন পালকি হাঁকিয়ে এলোটা কে? বাইরে তখন সত্যিই […]
Read More
আনন্দপুর রঘুনাথ মন্দির Anandapur Raghunath Temple
রঘুনাথ মন্দির, আনন্দপুর (থানা– কেশপুর, মেদিনীপুর ) চিন্ময় দাশ এককালে সমৃদ্ধ রেশম ও তসরশিল্পের সমৃদ্ধ জনপদ হিসাবে গডে় উঠেছিল আনন্দপুর। সেই সুবাদে কয়েকজন জমিদারের উদ্ভব হয়েছিল এই গ্রামে। বেশ কয়েকটি দেবমন্দির নির্মাণ করেছিলেন তাঁরা। এছাড়া অন্যভাবেও জমিদার হয়েছিল এখানের `সরকার’ পদবীর একটি পরিবার। কর্ণগডে়র রাজা যশোবন্ত সিংহের দেওয়া সম্পত্তিতে জমিদারী হয়েছিল তাঁদের। পরে, রানি শিরোমণিও […]
Read More