
পুর্বে উল্লেখিত এক রত্ন মন্দিরের ঢালু বাঁকানো ছাদের চার কোণে , তুলনায় ছোট চারটি রত্ন বা শিখর স্থাপন করে পঞ্চরত্ন মন্দির তৈরি হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে সমতল ছাদের ওপর একটি ঘর তৈরি করে কেন্দ্রে প্রধান চূড়া বা রত্ন এবং চার কোণে চারটি চূড়া বা রত্ন স্থাপন করে দোতলা পঞ্চরত্ন মন্দির তৈরি হয়েছে।
বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরে পঞ্চরত্ন রীতিতে নির্মিত শ্যাম রায় মন্দিরটি এই শৈলীর সবচেয়ে পুরানো নিদর্শন।
The Pancharatna Mandir, or Five-Pinnacled Temple, is an evolutionary design that builds upon the Ek Ratna Mandir. Four smaller gems or shikharas are strategically placed at the four corners of the sloping roof, complementing the central ratna.
In some variations, two-storied Pancharatna temples are constructed by adding a room atop a flat roof, featuring the main pinnacle or ratna at the center and four smaller pinnacles or ratnas at the corners.
A notable exemplar of this architectural style is the Shyam Roy Temple in Bishnupur, Bankura, which stands as the oldest known example of a Pancharatna temple.
পূর্ব গোপালপুর রাধাবিনোদ মন্দির Purba Gopalpur Radhabinod Temple.
রাধাবিনোদ মন্দির, পূর্ব গোপালপুর (পাঁশকুড়া– ১) চিন্ময় দাশ। হুগলি জেলার জাহানাবাদ গ্রাম। বৈষ্ণব ধর্মানুরাগী জনৈক রাধামাধব বাস করতেন সেখানে। উপযুক্ত গুরুর খোঁজে মেদিনীপুর চলে এসেছিলেন তিনি। সেসময় বৈষ্ণবগুরু শ্যামানন্দ প্রভু এবং রসিকানন্দ গোস্বামীর হাতে ‘শ্রীপাট গোপীবলভপুর’ খ্যাতিলাভ করেছে। চৈতন্যদেবের হাতে গড়ে ওঠা শ্রীচৈতন্য সম্প্রদায়ে ৬ জন গোস্বামী– শ্রীসনাতন গোস্বামী, শ্রীরূপ গোস্বামী, শ্রীগোপাল ভট্ট গোস্বামী, শ্রীরঘুনাথ […]
Read More
পিংলা রামচন্দ্র মন্দির Pingla Ramchandra Temple
রামচন্দ্র মন্দির, তিলদাগঞ্জ (পিংলা)চিন্ময় দাশ মেদিনীপুর জেলায় পিংলা থানার একটি গ্রাম– তিলদাগঞ্জ। পিংলা নামের উৎপত্তি হয়েছে দেবী পিঙ্গলাক্ষী-র নাম থেকে। জানা যায়, তিলদাগঞ্জ নামটিরও উদ্ভব এক দেবীর নাম থেকে। তিনি দেবী তিলেশ্বরী। বহু প্রাচীন কালেও সমৃদ্ধ কোনও জনপদ ছিল এখানে। ইতিহাসকার অনেকের অভিমত, প্রাচীন বন্দর নগরী তাম্রলিপ্ত বর্তমান তমলুক শহরের অনেক পশ্চিমে অবস্থিত ছিল। বর্তমান […]
Read More
বৈরামপুর (নারায়ণগড়) রাধাগোবিন্দ মন্দির Bairampur (Narayangarh) Radhagobinda Temple
রাধাগোবিন্দ মন্দির, বৈরামপুর (নারায়ণগড়) চিন্ময় দাশ বৈতরণী নদী বিধৌত জেলা জাজপুর। ওডিশার একেবারে পুব দিক ঘেঁষে। অতীতে কলিঙ্গরাজ জয়তি কেশরীর রাজধানী ছিল জাজপুর নগরীতে। ‘বিরজা ক্ষেত্র’ নামে প্রসিদ্ধি ছিল তখন. জাজপুর জেলার ছুরি নামের এক গ্রাম। রাঘবরাম দাস নামের এক ব্যক্তি ছুরি থেকে বাংলায় চলে আসেন। । বাংলায় তখন নবাবী আমল। আকবরের রাজস্ব সচিব টোডরমল […]
Read More
আনন্দপুর (কেশপুর) দামোদর মন্দির Anandapur (Keshpur) Damodar Temple
দামোদর মন্দির, আনন্দপুর (কেশপুর)চিন্ময় দাশ কেশিয়াড়ি আর আনন্দপুর– দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্ত বাংলার দুটি বিখ্যাত বয়নকেন্দ্র। রেশম আর সুতি বস্ত্রের উৎপাদনে পারঙ্গম এই দুটি কেন্দ্র আর্থিক সমৃদ্ধির শিখরে উঠেছিল এক সময়। শত শত তন্তুবায়ের উদয় হয়েছিল এ দুটিতে। সেই সাথে অনেকগুলি বণিক পরিবারও। অনেকগুলি দেবালয় গড়ে উঠেছিল দুটি জায়গাতেই। তারই একটি আনন্দপুরের এই দামোদর মন্দিরটি।বিভিন্ন উপায়ে অর্থ […]
Read More
জামনা (পিংলা) শ্রীধর মন্দির, Jamna (Pingla) Shridhar Temple,
শ্রীধর মন্দির, জামনা (পিংলা) চিন্ময় দাশ সওয়া দু’শ বছর আগের কথা। পিংলা থানার জামনা গ্রাম। সেখানে বাস ছিল দিন্ডা পদবীর এক পত্তনীদার জমিদারের। কুলদেবতার জন্য পঞ্চ-রত্ন রীতির সুদর্শন একটি মন্দির গড়েছিলেন জমিদাররা। এঁদের অতীত কথা বেশি জানা যায়নি। লোকশ্রুতি হিসাবে, এক শোলাঙ্কি বীরপুরুষ বীরসিংহের কথা জানিয়েছেন সেবাইতগণ। দিল্লী অধিকারের পর, সম্রাট আলাউদ্দিন খিলজী যখন বারংবার […]
Read More
বড়িষা (পিংলা) রাধাবিনোদ মন্দির
রাধাবিনোদ মন্দির, বড়িষা (পিংলা) চিন্ময় দাশ চন্দ্রকোনার রাজা আস্ত একটা জমিদারি অধিকার করে, কুলগুরুকে প্রণামী দিয়েছিলেন। জমিদারিটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল কেশপুর থানার আঢ়রাগড়ে। যে আঢ়রাগড়ে বসে চন্ডীমঙ্গল লিখেছিলেন কবিকঙ্কণ মুকুন্দরাম। আমরা এখানে বলব আর এক কাহিনী। সেই রাজা তাঁর পুরো একটি পরগনার রাজস্ব তুলে দিতেন কুলগুরুর হাতে, প্রণামী হিসেবে। একটি মন্দিরও গড়ে দেওয়া হয়েছিল গুরুদেবের জন্য। […]
Read More