
রত্ন মন্দির শৈলীতে নবরত্ন মন্দির এক বিশিষ্ট স্থান অধিকার করে নিয়েছে। রত্ন মন্দিরে উচ্চতা বাড়িয়ে মন্দিরে এক বিশালতা আনার প্রথম প্রচেষ্টা হল এই নবরত্ন মন্দির। মোট ৯টি রত্ন বা চূড়ার সংস্থাপন, সুতরাং স্বাভাবিকভাবেই এর আয়তন হবে আগের শৈলী গুলোর তুলনায় অনেক বেশি। নবরত্ন মন্দির সাধারণত দোতলা। ছাদসহ প্রথম তলটি স্বয়ংসম্পূর্ণ, এই ছাদের চারটি কোনায় চারটি চূড়া বা রত্ন স্থাপন করা হয় এবং গর্ভ গৃহের ঠিক মধ্যিখানে পঞ্চরত্নসহ আরেকটি ঘর তৈরি করা হয়। স্বাভাবিকভাবে কেন্দ্রীয় চূড়া বা রত্নটি তুলনায় বড়।
মন্দিরটি ওপরের দিকে বৃদ্ধি হওয়ার কারণে নিম্নাংশ এবং উর্ধাংশের পারস্পরিক সম্পর্ক আগের তুলনায় অন্যরকম। মন্দিরের দিকে একবার তাকালেই নটি চুড়া সহ ওপরের অংশটি প্রথমে নজরে পড়ে তাই মন্দিরের শরীর বিন্যাসে , অলঙ্করনে ওপরের অংশ নিচের অংশের তুলনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়।
অলংকৃত নবরত্ন মন্দিরের ঘরানা বাংলায় খুবই জনপ্রিয় ছিল । ছোট বড় বিভিন্ন রকমের এই শৈলীর মন্দির বাংলায় তৈরি হয়েছে। এলাকা ভেদে মন্দির ভেদে চূড়ার বিভিন্ন ধরন দেখতে পাওয়া যায়।
Within the Ratna temple tradition, the Navaratna Mandir ( nine Pinnacled temple) occupies a place of distinction. This architectural innovation sought to elevate the temple’s stature, literally and figuratively. The Navaratna’s nine pinnacles or ratnas create a larger volume, distinguishing it from earlier styles.
Characteristically, Navaratna temples are two-tiered, with a self-sufficient first floor featuring four corner pinnacles and a central structure with five pinnacles above the sanctum. The central pinnacle is invariably larger.
The temple’s increased verticality redefines the interplay between its upper and lower sections. The upper portion, with its nine pinnacles, becomes the focal point, overshadowing the lower section in terms of design and ornamentation.
Bengal’s rich cultural landscape is dotted with numerous Navaratna temples, ranging from modest to grand, each with unique variations in pinnacle designs reflecting regional and local influences.
মির্জাবাজার রাধাবল্লভ মন্দির Mirzabazar Radhaballabh Temple
রাধাবল্লভ মন্দির, মির্জাবাজার (মেদিনীপুর শহর) চিন্ময় দাশ বৈষ্ণব যুগের মধ্যভাগে তিনজন প্রভুর আবির্ভাব হয়েছিল– শ্যামানন্দ, শ্রীনিবাস এবং নরোত্তম। বৈষ্ণব সমাজে শ্রীচৈতন্য, নিত্যানন্দ এবং অদ্বৈতাচার্য যে সম্মান লাভ করেছিলেন, পরবর্তীকালে এই তিনজন প্রভুও সেই সম্মানের অধিকারী হয়েছিলেন। বাংলার দক্ষিণ-পশ্চিম এলাকা, সংলগ্ন বিহার (অধুনা ঝাড়খন্ড) এবং ওডিশার ব্যাপক এলাকা জুড়ে ধর্মপ্রচারের কাজ করেছিলেন শ্যামানন্দ। নরহরি চক্রবর্তীর ‘ভক্তি-রত্নাকর’ […]
Read More
গোপীনাথপুর জগন্নাথ মন্দির Gopinathpur Jagannath Temple
জগন্নাথ মন্দির, গোপীনাথপুর (থানা– কেশপুর, মেদিনীপুর) চিন্ময় দাশ প্রাচীন মেদিনীপুর নগরীর গা ছুঁয়ে বয়ে চলেছে চিরপ্রবাহিনী কংসাবতী। বইতে বইতে একখানে পৌঁছে, দুটি শাখায় ভাগ হয়েছে নদী। সেখানে তার ডাইনে নদীর মূল শাখার এপারে ওপারে ডেবরা থানার শালডহরি আর কমলপুর গ্রাম। আর, নদীর জলরেখা দিয়ে ঘেরা বামের গ্রামটি হোল কাপাশটিকরী। তার থানা কেশপুর। এর পর, […]
Read More
নতুক–বড় বাখুল শ্রীধরজীউ মন্দির Natuk–Boro Bakhul Shridhar Jiu Temple
শ্রীধরজীউ মন্দির, নতুক–বড় বাখুল (থানা ঘাটাল, মেদিনীপুর) চিন্ময় দাশ বাদশাহী সড়ক’– বহু প্রাচীন কালের একটি রাজপথ। বলা হয়, খ্রিস্টপূর্ব ৩০০ অব্দ নাগাদ নির্মিত হয়েছিল প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় ভারতের, মধ্য-ভারত থেকে কলিঙ্গগামী, এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি। হুগলি জেলার গড় মান্দারণ হয়ে, মেদিনীপুরের ঘাটাল মহকুমায় প্রবেশ করেছে পথটি। এই পথের অদূরে নতুক নামের একটি গ্রাম। আমাদের আজকের সফর […]
Read More
আঙ্গুয়া-বিলাসবাড় দামোদর মন্দির Angua-Bilasbar Damodar Temple
দামোদর মন্দির, আঙ্গুয়া-বিলাসবাড় (থানা– কেশপুর, মেদিনীপুর) চিন্ময় দাশ সপ্তদশ-অষ্টাদশ শতাব্দী থেকে মেদিনীপুর জেলার বিখ্যাত হস্তশিল্পের মধ্যে অন্যতম ছিল কাঁসা শিল্প। জেলার একেবারে উত্তর-পূর্ব এলাকার খড়ার ছিল কাঁসাশিল্পের অগ্রণী কেন্দ্র। সেসময় পাটী পদবীর একটি সদগোপ পরিবার প্রভূত সম্পদের অধিকারী হয়ে উঠেছিল এই শিল্প থেকে। সেই পরিবারের জনৈক রামদুলাল পাটী ছিলেন শিক্ষিত এবং সুদেহী। পারিবারিক ব্যবসায় না […]
Read More
রাজবল্লভ শ্যামসুন্দর মন্দির Rajballav Shyamsundar Temple
শ্যামসুন্দর মন্দির, রাজবল্লভ (পিংলা, মেদিনীপুর জেলা) চিন্ময় দাশ ইং ১৮০১ সাল। উনবিংশ শতকের সূচনার বছর। তখন ভারতের গভর্ণর জেনারেল বা বড়লাট লর্ড ওয়েলেসলী। মেদিনীপুর জেলার জজ-ম্যাজিস্ট্রেট মি: এইচ. স্ট্রেচি। দেশের আভ্যন্তরীণ অবস্থা জানবার জন্য, ওয়েলেসলী বিভিন্ন বিষয়ের ৪০টি প্রশ্নের একটি প্রশ্নমালা পাঠিয়েছিলেন বিভিন্ন জেলার রাজপুরুষদের কাছে। স্ট্রেচি সাহেব তাঁর রিপোর্টে মেদিনীপুর জেলার ১৮ জন সম্ভ্রান্ত […]
Read More
নজরগঞ্জ রাধাবল্লভ মন্দির Nazarganj Radhaballav Temple,
রাধাবল্লভ মন্দির, নজরগঞ্জ (মেদিনীপুর শহর) চিন্ময় দাশ চতুর্দশ শতকের প্রথম দশকের ঘটনা। দিল্লী দখল করেছেন তুর্কী সম্রাট আলাউদ্দিন খিলজী। দাক্ষিণাত্য অভিযানের আগে, বারংবার গুজরাট এবং রাজস্থানের উপর আক্রমণ সগঠিত করছিলেন তিনি। এদিকে ত্রয়োদশ শতক থেকে শোলাঙ্কি সম্প্রদায়ের একটি শক্তিশালী শাখা গুজরাটের বিশাল এলাকা শাসন করছিল। তাঁদের আদি পুরুষের নাম মহাবীর শুক্ল। মহাবীরের এক অধস্তন পুরুষ […]
Read More