image

ঘাটাল বৃন্দাবনচন্দ্র মন্দির Ghatal Brindavanchandra Temple

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ঘাটাল পৌরসভার অন্তর্গত গোস্বামী পাড়ায় শিলাবতী নদীর কাছে বৃন্দাবন চন্দ্রের মন্দিরটি প্রতিষ্ঠিত। নবরত্ন মন্দিরটি দক্ষিণমুখী। তারাপদ সাঁতরা লিখিত গ্রন্থ অনুযায়ী মন্দিরটির প্রতিষ্ঠাকাল ১৭১৬ শকাব্দ অর্থাৎ ১৭৯৪ খ্রিস্টাব্দ এবং প্রণব রায় লিখিত গ্রন্থে পাওয়া যায় মন্দিরটি ১৭১৩ শকাব্দ অর্থাৎ ১৭৯১ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত। সম্ভবত জীর্ণ লিপি পাঠে ১৭১৩ এবং ১৭১৬ দৃষ্টি বিভ্রম ঘটেছে।
তারাপদ সাঁতরা লিখিত গ্রন্থ অনুসারে অনুসারে প্রতিষ্ঠা লিপিটি ছিল   -
"শ্রী শ্রী বৃন্দাবন চন্দ্র। শুভমস্তু সকাব্দা১৭১৬  দাতা ।‌ শ্রী চৈতন্য চরণ দাষ। সিল্পীকার শ্রী স্যামচরণ মিস্ত্রি দাস।"
এই প্রতিষ্ঠান লিপি থেকে দেখা যাচ্ছে  ১৭৯৪  খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত মন্দিরটির শিল্পী ছিলেন শ্রী শ্যামচরন মিস্ত্রি।
প্রণব রায় লিখিত গ্রন্থে কিছুটা পাঠ ভেদ দেখা যায়।

মন্দিরের সম্মুখভাগ টেরাকোটা ফলক দ্বারা অলংকৃত। মন্দিরের ভিত্তিভূমিতে এখন কোন টেরাকোটার কাজ নেই এবং প্রতিষ্ঠা লিপিটিও নেই। টেরাকোটা কাজগুলির মধ্যে রামায়ণের কাহিনী , লঙ্কা যুদ্ধ , কৃষ্ণ লীলা ,শিকার দৃশ্য এইসব খোদিত আছে। বর্তমানে মন্দিরটি হেরিটেজ ঘোষিত হয়েছে।

The temple of Vrindavan Chandra is situated near the Shilavati River in Goswami Para, Ghatal Municipality, Paschim Medinipur District. The Navaratna temple faces south. According to the book written by Tarapada Santra, the temple was founded in 1716 Shakabda i.e. 1794 AD, and in the book written by Pranab Roy, the temple was founded in 1713 Shakabda i.e. 1791 AD. Perhaps the reading of the worn-out script has led to the optical illusion of 1713 and 1716.
According to the book written by Tarapada Santra, the foundation script was -
"Śrī śrī br̥ndābana candra. Śubhamastu sakābdā1716  dātā. Śrī caitan'ya caraṇa dāṣa. Silpīkāra śrī syāmacaraṇa mistri dāsa."

It is seen from this  inscription that the artist of the temple, established in 1794 AD, was Shri Shyamcharan Mistry.
Some differences in reading are seen in the book written by Pranab Roy.
The facade of the temple is decorated with terracotta panels. There is no terracotta work on the temple foundation now and there is no foundation inscription. The terracotta works depict stories from the Ramayana, the Lanka War, Krishna Leela, and hunting scenes.
The temple has now been declared a heritage site. 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Articles

নবরত্ন Nava Ratna

বাগরুই লক্ষ্মীবরাহ মন্দির Bagrui Lakshmivaraha Temple.

লক্ষ্মীবরাহ মন্দির, বাগরুই (কেশপুর থানা, মেদিনীপুর) চিন্ময় দাশ   চিরপ্রবাহিনী কংসাবতী। মেদিনীপুর শহর ছাড়িয়ে এই নদী পূর্ববাহিনী। উত্তর পাড়ে মাইলের পর মাইল জুড়ে মেদিনীপুর পরগণার ভূভাগ। সেখানে মাইতি পদবীর একটি বনেদি বংশের বাস ছিল নদীর একেবার কোলে, বাগরুই গ্রামে। শ’দুই বছর আগের সময়কাল। সদ্য চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রথার প্রচলন হয়েছে। সেই সুবাদে ছোট একটি জমিদারী প্রতিষ্ঠা […]

Read More
নবরত্ন Nava Ratna

চন্দ্রকোণা-দক্ষিণ বাজার শান্তিনাথ শিব মন্দির Chandrakona Dakshin Bazar Shantinath Shiva Temple

শান্তিনাথ শিব মন্দির, চন্দ্রকোণা-দক্ষিণ বাজার (চন্দ্রকোণা) চিন্ময় দাশ তাম্রলিপ্তের পর, বাহান্ন বাজার আর তিপান্ন গলি-র শহর চন্দ্রকোণা হোল মেদিনীপুর জেলার প্রাচীনতম নগরী। এককালে এর প্রতিটি বাজার আবার কয়েকটি করে পট্টি বা পটিতে বিভক্ত ছিল। রেশম শিল্প, পট্টবস্ত্র, কাঁসা-পিতল, স্বর্ণ, গন্ধদ্রব্য ইত্যাদির ধনাঢ্য ব্যবসায়ীগণের বাস ছিল এখানে। বিশেষত রেশমশিল্পের সুবাদে বহু পরিবার সমৃদ্ধ হয়ে উঠেছিল। জেলা […]

Read More
নবরত্ন Nava Ratna

করকাই লক্ষ্মীবরাহ মন্দির Karkai Lakshmivaraha Temple

লক্ষ্মীবরাহ মন্দির, করকাই (পিংলা) চিন্ময় দাশ ১০০ বছরের বেশী আয়ু হয়েছে, এবং নির্মিত হয়েছে একেবারে স্থাপত্য-রীতি মেনেই, মেদিনীপুর জেলায় এমন মন্দিরের সংখ্যা আটশ’ থেকে হাজার হওয়ারই সম্ভাবনা। তার ভিতর বহু মন্দির গড়ে তোলা হয়েছিল বেশ অলংকৃত করেই। পরিতাপের কথা, সেসকল মন্দিরের সিংহভাগই প্রতিদিন তিলে তিলে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে সকলের চোখের সামনে। আমাদের কাউকে নাড়া দিয়ে […]

Read More