image

দশঘরা গোপীনাথ মন্দির Dasghara Gopinath Temple

হুগলি জেলার ধনেখালি থানার অন্তর্গত দশঘরা গ্রামটি অতিশয়  বর্ধিষ্ণু। এই গ্রামে সদানন্দ বিশ্বাস এবং তার পরিবার অনেক পুরাকীর্তি স্থাপনের সাথে যুক্ত ছিলেন। পঞ্চরত্ন মন্দির ,দোল মঞ্চ ,রাস মঞ্চ , শিব মন্দির এরকম দেবালয় নির্মাণ তাদের অন্যতম কীর্তি। এছাড়াও তাদের নির্মিত কাছারি বাড়ি বৈঠকখানা নহবত খানা এখনো দেখা যায়। এই গ্রামের আরেক কৃতি মানুষ বিপিন কৃষ্ণ রায়ও অনেক অবদান রেখে গেছেন। বিরাট ক্লক টাওয়ার যুক্ত ফটক, ঠাকুরবাড়ি ,দুর্গাদলান, চিকিৎসালয় , রাসমঞ্চ এসব নির্মাণ করে তিনি দশঘড়া গ্রামকে এক অনন্য পর্যায়ে উন্নীত করেছিলেন।
সদানন্দ বিশ্বাস ১৭২৯ খ্রিস্টাব্দে এখানকার বিখ্যাত পঞ্চরত্ন মন্দির টি প্রতিষ্ঠা করেন। মন্দিরটি পশ্চিমমুখী। মন্দিরটি অনেকবার সংস্কার হয়েছে। এর তিনদিকের দেয়ালেই টেরাকোটার কাজ রয়েছে। বাঁকানো চাল যুক্ত ছাদের চার কোনায় চারটি এবং একটি কেন্দ্রীয় চূড়া নিয়ে পঞ্চরত্ন মন্দিরটি গঠিত। রং করে সংস্কার করা হলেও টেরাকোটা ফলক গুলি অনেকাংশেই অক্ষত আছে।

The village of Dashghara, under Dhanekhali police station of Hooghly district, is very prosperous. In this village, Sadananda Biswas and his family were associated with the establishment of many ancient monuments. The construction of temples like Pancharatna Temple, Dol Mancha, Ras Mancha, Shiv Mancha are among their achievements.

In addition, the Kachari house and the meeting house built by them can still be seen. Another famous person of this village, Bipin Krishna Roy, also left a lot of contribution.He elevated the village of Dasghara to a unique level by constructing a gate with a huge clock tower, a Thakurbari, a Durgadlan, a hospital, and a Rashmancha.

Sadananda Biswas founded the famous Pancharatna Temple here in 1729 AD. The temple faces west. The temple has been renovated many times. It has terracotta work on all three sides of the walls.
The Pancharatna temple consists of a curved roof with one pinnacle in each four corners and a central pinnacle. Although it has been renovated and painted, the terracotta panels are largely intact.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Articles

পঞ্চরত্ন Pancha Ratna

আমোদপুর সীতারাম মন্দির Amodpur Sitaram Temple

সীতারাম মন্দির, আমোদপুর (ডেবরা) চিন্ময় দাশ অষ্টাদশ শতকের শেষ পর্বে নিম্নবাংলায় বৃহত্তম জমিদারীটি ছিল বর্ধমান রাজংশের। বর্ধমান জেলার খণ্ডঘোষের পাল পদবীর একটি বনেদিবংশ ছিল বর্ধমানের একজন পত্তনিদার। সেই বংশের জনৈক বাঞ্ছারাম পাল মেদিনীপুর জেলার সাহাপুর পরগণায় চলে এসেছিলেন।  সাহাপুর পরগণার আমোদপুর গ্রামে স্থায়ী বসত গড়েছিলেন বাঞ্ছারাম। এখানে একটি জমিদারী গড়ে উঠেছিল তাঁর হাতে। তিন ভাবে […]

Read More
পঞ্চরত্ন Pancha Ratna

মীরগোদা রাধাকৃষ্ণ মন্দির Mirgoda Radhakrishna Temple

রাধাকৃষ্ণ মন্দির, মীরগোদা (থানা—রামনগর, মেদিনীপুর) চিন্ময় দাশ বর্তমানে বাংলায় হিন্দুধর্ম, বিশেষত বৈষ্ণব ধর্ম চর্চায় ‘ইস্কন’ (ISCON—International Society for Krishna Conciousness) একটি বেশ অগ্রণী নাম। প্রতিষ্ঠা করেছিলেন টালিগঞ্জের এক বনেদি পরিবারের সন্তান। সেকালের নৈতিক শিক্ষার পীঠস্থান, কলকাতার স্কটিশ চার্চ কলেজের কৃতিছাত্র ছিলেন অভয় চরণ দে। ‘গৌড়ীয় মঠ’-এর প্রতিষ্ঠাতা ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতীর কাছে দীক্ষিত হয়ে, ‘অভয় চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত […]

Read More
পঞ্চরত্ন Pancha Ratna

পশ্চিম পুরুষোত্তমপুর নারায়ণ মন্দির Paschim Purushottampur Narayan Temple

নারায়ণ মন্দির, পশ্চিম পুরুষোত্তমপুর (কাঁথি) চিন্ময় দাশ ‘তিল থেকে তাল’—এই প্রবাদের জ্বলন্ত উদাহরণ নিয়ে এবারের জার্ণাল। সেই ঘটনার অভিঘাতে, অনিন্দসুন্দর একটি দেবালয় কীভাবে একটু একটু করে ধ্বংসস্তুপে পরিণত হতে পারে, তার দৃষ্টান্তই এই নিবন্ধের প্রতিপাদ্য। বিষ্ণু উপাসক একটি পরিবারের বাস ছিল মাজনামুঠা পরগণার পশ্চিম পুরুষোত্তমপুর গ্রামে। বর্তমান কাঁথি শহরের সামান্য পূর্বদিকে, হাতের মুঠোয় ধরা যায়, […]

Read More