
চার চালার পরবর্তী ধাপই হল আটচালা। দোতলা না হলে আটচালা সম্পূর্ণ হয় না। বাড়ি তৈরির ক্ষেত্রে এই আটচালার উদাহরণ খুবই সীমিত। কিন্তু এই সীমাবদ্ধতা পূর্ণতা পেয়েছে আটচালা মন্দিরে এসে।। চালা রীতির মধ্যে আটচালা খুব জনপ্রিয়।
এক তলায় চার চালা স্থাপত্যের ওপরে আরো একটি ছোট চার চালা নির্মিত হলেই এটা আটচালা হয়। বাড়িটি দোতলা হলেও , মন্দিরের ক্ষেত্রে দ্বিতল টি কোন আলাদা কক্ষ নয়। প্রথম তলায় চার চালা খানিকটা উঠে একটা সমতল পাটাতনে এসে পরিণতি লাভ করে। এই পাটাতনের ওপরে আরেকটি ছোট চার তলা কক্ষ তৈরি করেই আটচালা মন্দির তার পূর্ণাঙ্গ রূপ পায় ।
খড়ের চাল তৈরির সময় বাঁকানো বর্ধিত অংশটা রাখা হতো বৃষ্টির জল ঝরে যাওয়ার জন্য। কিন্তু ইটের মন্দিরের ক্ষেত্রে এই বর্ধিত অংশের কোন প্রয়োজনীয়তা থাকে না। তবুও আকৃতিগতভাবে এই ধনুকাকৃতি চালার রূপটা রেখে দেওয়া হয়েছে । কেবলমাত্র দেওয়াল রক্ষার জন্য খড়ের চালায় যে বর্ধিত অংশটা থাকতো , এক্ষেত্রে সেই বর্ধিত অংশটা বাদ দেয়া হয়েছে । অর্থাৎ ধনুকাকৃতি অংশটা অলংকরণের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে, এর কোনও ব্যবহারিক প্রয়োজন নেই।
The Atchala style represents the next phase in the evolution of Char Chala architecture, distinguished by its double-storeyed design. Although rare in residential constructions, the Atchala temple fully realizes this form.
A hallmark of Atchala temples is the superimposition of a smaller, four-chala structure upon a single-storey, four-chala base, creating a two-tiered appearance. Unlike houses, the upper level does not function as a separate room.
The Atchala temple’s design features four chalas rising from the first floor, merging into a flat floor, and culminating in a smaller, four-chala room above.
While the curved extension in traditional straw and mud houses served to drain rainwater, this feature became unnecessary in brick temples. However, its arch-shaped siluyeta has been preserved as a decorative motif, devoid of practical purpose.
কালনা বিজয় বৈদ্যনাথ শিব মন্দির Kalna Bijoy Baidyanath TErmple
পূর্ব বর্ধমান জেলার কালনা মহকুমা শহরে রাজবাড়ী মন্দির কমপ্লেক্সের মধ্যে কৃষ্ণচন্দ্র মন্দিরের পেছনে বিজয় বৈদ্যনাথ শিব মন্দির অবস্থান করছে।বাঁকানো কার্নিশ যুক্ত আটচালা মন্দিরটির সম্মুখভাগে প্রচুর টেরাকোটা কাজের ফলক রয়েছে। উঁচু বেদীর ওপর অবস্থিত এই মন্দিরটি পাদদেশ থেকে কারনিস পর্যন্ত সমস্ত অংশে টেরাকোটা ফলকগুলি সুবিন্যস্ত । ফলকগুলি অনেকাংশে ক্ষয়প্রাপ্ত হলেও ফুলকারীর কাজ , নর্তকী , যুদ্ধযাত্রা […]
Read More
বৈদ্য়পুর আটচালা মন্দির Baidyapur Aat chala Temple
পূর্ব বর্ধমান জেলার কালনা থানার অন্তর্গত বৈদ্যপুর গ্রামে বাস স্ট্যান্ড থেকে একটু এগিয়ে নন্দীপাড়ায় পাশাপাশি দুটি মন্দির দেখতে পাওয়া যায়। আলোচ্য মন্দিরটি আটচালা ঘরানার মন্দির।১৭৫৩ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত এই মন্দিরটি বর্তমানে জীর্ণ দশায় রয়েছে। দৈর্ঘ্য প্রস্থে বর্গাকার ১২ ফুট মন্দির টি প্রায় ৩৫ ফুট উঁচু। মন্দিরের একদিকের দেয়ালের সংলগ্ন অঞ্চলে অন্য একটি গৃহ কাঠামো তৈরি হওয়ায় […]
Read More
দাসপুর নাড়াজোল মৃত্যুঞ্জয় শিবমন্দির Daspur Narajole Mrityunjoy Shiv Temple
পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুর থানা অঞ্চলে নাড়াজোল রাজবাড়িতে একটি শিব মন্দির দেখতে পাওয়া যায়। আটচালা এই মন্দিরটি মৃত্যুঞ্জয় শিবের মন্দির নামে খ্যাত । পশ্চিমমুখী এই মন্দিরটিতে এক প্রতিষ্ঠা লিপি অনুসারে জানা যায় যে এটি ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত হয়েছিল। মন্দিরটিতে বেশ কিছু টেরাকোটা অলংকরণ আছে। A Shiva temple can be found in Narajol Rajbari in the […]
Read More
খণ্ডরূই রাধাবল্লভ মন্দির Khandarui Radhaballav Temple
জীর্ণ মন্দিরের জার্নাল-
রাধাবল্লভ মন্দির, খণ্ডরূইগড় (দাঁতন– ২)
চিন্ময় দাশ
আইন-ই-আকবরী’তে যাকে ‘তরকোল মহাল’ নামে উল্লেখ পাই, সেটি হল তুর্কাচৌর পরগণা। মেদিনীপুর জেলার দক্ষিণের এলাকায় অবস্থান সেটির। ষোড়শ শতকের একেবারে প্রথম দিকের ঘটনা। দক্ষিণ দেশের তেলেঙ্গী জাতীয় এক রাজা সেখানে রাজত্ব করতেন। রাজধানী ছিল খণ্ডরূইগড়।
Read More
পঞ্চানন শিব Panchanan Shib
পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুর থানার অধীনে সোনাখালি গ্রাম পঞ্চায়েত। এই পঞ্চায়েত এলাকায় কোনাখালী বাজারের কাছে অতি প্রাচীন একটি শিব মন্দির আছে। পশ্চিমমুখি আটচালা এই শিব মন্দিরটি ১৭৭২ / ৭৩ সালে তৈরি হয়েছিল। একসময় পোড়ামাটির ফলকে যে সুন্দর আঙ্গিকে মন্দিরটি কারুকার্যময় হয়ে উঠেছিল , বর্তমানে রং করার ফলে তার গরিমা অনেকটাই নষ্ট হয়েছে। বিশেষত পোড়ামাটি ফলক […]
Read More
নীলকন্ঠ শিব Nilkantha Shib
পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুর থানার সাহাচক গ্রামে একটি আটচালা শিব মন্দির দেখতে পাওয়া যায়। পশ্চিমমুখী মন্দিরটি বর্তমানে ( ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫) সম্পূর্ণভাবে সংস্কার করা হয়েছে। নতুন করে রং করা হয়েছে। তারাপদ সাঁতরা লিখিত গ্রন্থে একটি প্রতিষ্ঠা লিপির কথা বলা হয়েছে। সেটি ছিল –“শ্রী শ্রী নীলকন্ঠ শিব ঠাকুর / সাং শাহাচক / শকাব্দা ১৮১০ সন ১২৯৫ সাল […]
Read More