image

দাসপুর নাড়াজোল মৃত্যুঞ্জয় শিবমন্দির Daspur Narajole Mrityunjoy Shiv Temple

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুর থানা অঞ্চলে নাড়াজোল রাজবাড়িতে একটি শিব মন্দির দেখতে পাওয়া যায়। আটচালা এই মন্দিরটি মৃত্যুঞ্জয় শিবের মন্দির নামে খ্যাত । পশ্চিমমুখী এই মন্দিরটিতে এক প্রতিষ্ঠা লিপি অনুসারে জানা যায় যে এটি ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত হয়েছিল।
মন্দিরটিতে বেশ কিছু টেরাকোটা অলংকরণ আছে।

A Shiva temple can be found in Narajol Rajbari in the Daspur police station area of Paschim Medinipur district. This temple is known as the Mrityunjay Shiva temple. This west-facing temple has a foundation inscription stating that it was built in 1908 AD.
The temple has several terracotta decorations.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Articles

আটচালা Aath Chala

কদমকুণ্ডু খড়গেশ্বর শিব মন্দির Kadamkundu Kharageshwar Shiva Temple

খড়গেশ্বর শিব মন্দির, কদমকুণ্ডু (ক্ষীরপাই শহর, মেদিনীপুর ) চিন্ময় দাশ    শীলাবতি, রূপনারায়ণ, কেঠিয়া, কুবাই, বুড়িগাং, আমোদর ইত্যাদি ছোট-বড় অনেকগুলি নদীর জলধারায় পুষ্ট ঘাটাল মহকুমা। নদীগুলির অববাহিকা এলাকা জুড়ে উর্বর কৃষিভূমি। সারা মহকুমার অর্থনীতি পুষ্ট হয়েছিল তাতে। এগুলি ছাড়াও, নীল চাষ, লোহা-কাঁসা-পিতলের ধাতু শিল্প, পটশিল্প, শঙ্খশিল্প ছিল এই এলাকায়। সোনায় সোহাগা হয়েছিল   বয়নশিল্প। পাট, বিশেষ […]

Read More
আটচালা Aath Chala

ক্ষেপুত ক্ষেপুতেশ্বরী মন্দির Kheput Kheputeshwari Temple

ক্ষেপুতেশ্বরী মন্দির, ক্ষেপুত (থানা- দাসপুর, মেদিনীপুর) চিন্ময় দাশ ধীর প্রবাহী নদ রূপনারায়ণ। এর পশ্চিম পাড়ের একাংশ জুড়ে মেদিনীপুর জেলার দাসপুর থানা। সেখানে উত্তরবাড় আর দক্ষিণবাড় দুই মৌজা মিলে একটি গ্রাম গড়ে উঠেছে– ক্ষেপুত। গ্রামের হঠাৎ এমন নাম হোল কেন? হবে নাই বা কেন? সেই কোন সুদূর কাল থেকে  ক্ষিপ্তেশ্বরী নামের এক দেবী বিরাজ করেন এখানে। […]

Read More
আটচালা Aath Chala

কাশীপুর-ঔরঙ্গাবাদ কাশীশ্বর শিব মন্দির Kashipur–Aurangabad Kashishwar Shiva Temple

কাশীশ্বর শিব মন্দির, কাশীপুর-ঔরঙ্গাবাদ (থানা– কেশিয়াড়ি। মেদিনীপুর) চিন্ময় দাশ শ’-তিনেক বছর আগের কথা। তখন কেশিয়াড়ি বলতে একটি মৌজাকেই বোঝাতে না। ৩৬টি গ্রাম নিয়ে গড়ে উঠেছিল সেদিনের কেশিয়াড়ির পরিচিতি। রেশমশিল্পের সুবাদে, তখন কেশিয়াড়ি এলাকার অর্থনীতি পুষ্ট হয়েছিল বিপুলভাবে। ৩৬টি গ্রাম ভাগ করা ছিল ১২টি ভাগে। প্রত্যেক ভাগের কেন্দ্রস্থলে ছিল ১টি করে শিবমন্দির। সেই ১২টি মন্দির বা […]

Read More