image

একরত্ন Ek Ratna 

রত্ন রীতির মন্দিরে এক রত্ন মন্দির একদম প্রথম ধাপ। বর্গাকার ভিতের উপর চারটি দেয়াল তুলে যে চার চালা মন্দির রচিত হচ্ছে তার উপর ঠিক মধ্যিখানে একটি ছোট শিখর বা রত্ন স্থাপন করে তৈরি হয় এক রত্ন মন্দির। এটাই একরত্ন মন্দিরের মূল কথা। ধনুকাকৃতি নিচু ছাদের নিচের অংশটা স্বয়ংসম্পূর্ণ। এর উপর অলংকরণ হিসাবে রত্নের স্থাপন।
এক রত্ন মন্দিরের সংখ্যা খুব কম। এই রীতির চর্চা বিষ্ণুপুরে মল্ল রাজাদের আমলে খুব বেশি করে হয়েছিল। ষোড়শ শতাব্দীর শেষ দিক থেকে শুরু করে ১৭৫৮ পর্যন্ত এই মন্দির চর্চা রাজাদের আমলে হয়েছিল। এক রত্ন মন্দিরের প্রাচীনতম নিদর্শন যেটা পাওয়া যায় সেটা হল বিষ্ণুপুরের কালাচাঁদ মন্দির ৯৬২ মল্লাব্দ (১৬৫৬ খ্রীঃ )

বিশিষ্ট মন্দির বিশেষজ্ঞ ডেভিড ম্যাককাচ্চন এই মন্দিরগুলিকে যে ভাবে ভাগ করেছেন সেগুলি হলো

ক.     

এক রত্ন খাঁজকাটা বুরুজ সদৃশ – বড় আদি বিষ্ণুপুর ঘরানা 

এক রত্ন খাঁজকাটা বুরুজ সদৃশ – ছোট বিষ্ণুপুর ঘরানায় একক বারান্দা

এক রত্ন খাঁজকাটা বুরুজ সদৃশ – লম্বা দক্ষিণ মেদিনীপুর ঘরানা 

খ

মসৃণ রেখা বুরুজ সহ এক রত্ন – বৃহৎ বিষ্ণুপুর ঘরানা

মসৃণ রেখা বুরুজ সহ এক রত্ন – ছোট একক বারান্দা সহ 

মসৃণ রেখা বুরুজ সহ এক রত্ন – পিছিয়ে থাকা গম্বুজ সহ

মসৃণ রেখা বুরুজ সহ এক রত্ন – বিশাল গম্বুজ সহ 

মসৃণ রেখা বুরুজ সহ এক রত্ন – লম্বা দক্ষিণ মেদিনীপুর ঘরানা 

গ

চার চালা বুরুজ নিয়ে এক রত্ন 

ঘ

এক রত্ন অষ্টভুজাকার বুরুজ সহ 

এক রত্ন  বড় হুগলি ঘরানার

এক রত্ন ছোট দাসপুর ঘরানার 

ঙ

এক রত্ন  ৮টি কলামে টাওয়ার সহ 

চ

চারিদিকে খোলা বারান্দা নিয়ে এক রত্ন 

ঐতিহ্যবাহী কলামে এক রত্ন 

স্তম্ভের খিলানে এক রত্ন

ছ

এক রত্ন সোজা কার্নিশ সহ

The Ek Ratna Mandir, or Single Pinnacled Temple, marks the inception of the Ratna style. This architectural form features a small shikhar or ratna positioned atop a Char Chala Mandir, constructed on a square foundation with four walls.
The essence of the Ekaratna Mandir lies in its simple yet elegant design, where the lower portion of the arched, low-slung roof is self-contained and adorned with ratna (gems) as decorative elements.
Notably, single-pinnacled temples are relatively rare. However, this style gained prominence in Bishnupur during the reign of the Malla kings, from the late 16th century to 1758.
The Kalachand Temple of Bishnupur, dated 962 MALLABD (1656 AD), stands as the earliest recorded example of ek Ratna temple, providing valuable insight into the origins of this distinctive architectural style.

Eminent expert David McCutcheon categorised these temples as

A.     

Eka ratna with ridgedTower

Eka ratna large early Bishnupur type

Eka ratna smaller Bishnupur type with single porch

Eka ratna tall South Midnapore type 

B

Eka ratna with smooth Rekha Tower 

Eka Ratna Smaller with single porch

Eka Ratna WITH Tower set back 

Eka RatnaWith massive Tower 

Eka Ratna tall South middapur type 

C

Eka Ratna With chaar Chala Tower 

D

Eka ratna with octagonal Tower 

Eka Ratna  Large hoogly type

Eka Ratna Smaller daspur type 

E

Eka Ratna  With tower in 8 columns 

F

Eka Ratna With open baranda all around 

Eka Ratna On traditional columns 

Eka Ratna All arches on piers 

G

Eka Ratna With straight Cornice

একরত্ন Ek Ratna

গেঁড়িবুড়ি Geriburi

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা দাসপুর থানার অধীনে গ্রাম বলিহারপুর। এখানে গেঁড়িবুড়ি তলায় একটি এক রত্ন মন্দিরে লৌকিক দেবী গেঁড়িবুড়ির পূজা করা হয়। আমুল সংস্কার হয়ে যাওয়া এই মন্দিরটি তে কয়েকটি টেরাকোটার ফুল এবং রাধা কৃষ্ণের মূর্তী দেখতে পাওয়া যায়। বর্তমানে অলংকরণ গুলি সম্পূর্ণভাবে রং করা।  মন্দিরটি দক্ষিণমুখীসম্মুখভাগে ত্রিখিলানের উপরিস্থিত বক্র কার্নিশ এর উপরে প্রতিষ্ঠা লিপিতে দেখা […]

Read More
একরত্ন Ek Ratna

মহানাদ জটেশ্বর মন্দির Mahanad Jateswar Temple

হুগলি জেলার পোলবা দাদপুর ব্লকের অন্তর্গত মহানাদ – জাততলা গ্রামে যে অপূর্ব স্থাপত্যটি বর্তমান সেটি হল জটেশ্বর নাথের শিব মন্দির। গঠন শৈলী দেখে অনুমান করা হয় অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে স্থাপত্যটি তৈরি করা হয়েছিল। মহানাদ হুগলি জেলার একটি প্রসিদ্ধ ঐতিহাসিক স্থান এখানে থেকে প্রচুর প্রত্নতাত্ত্বিক সামগ্রী পাওয়া গেছে। গুপ্ত যুগের কিছু নিদর্শন ভারতীয় জাদুঘরে সংরক্ষিত […]

Read More
একরত্ন Ek Ratna

মদনমোহন মন্দির Madanmohan Temple

বিষ্ণুপুরের নগর দেবতা মদনমোহনের এক রত্ন মন্দিরটি এক কথায় অনবদ্য। মাকড়া পাথরের ভিত্তি ভূমির উপরে টেরাকোটা অলঙ্করণ সমৃদ্ধ মন্দিরটি তৈরি হয়েছিল ১৬৯৪ খ্রিস্টাব্দে। ধনুক আকৃতি বাঁকা চালার উপরে স্থাপিত শিখরটি অনবদ্য। মন্দিরের প্রতিষ্ঠা লিপিটি এইরকম –“শ্রী রাধাব্রজরাজনন্দন পদাম্ভজেষু তৎ প্রীতয়ে মল্লাব্দে ফনীরাজশীর্ষগনিতে মাসে শুচৌ নির্মলেসৌধং সুন্দররত্নমন্দিরমিদং সার্ধংস্বচেতোহলিনাশ্রীমদ্দুর্জন সিংহ ভুমিপতিনা দত্তং বিশুদ্ধাত্মনা        ১০০০”এটি পাঠে বোঝা যায় […]

Read More
একরত্ন Ek Ratna

অনন্ত বাসুদেব মন্দির Ananta Basudev Temple

১৬৫৬ খ্রিস্টাব্দে মুঘল সম্রাট শাহজাহান বর্ধমান জেলার পাটুলির রাঘব দত্ত রায় কে সাতগাঁও অঞ্চলের একুশ টি পরগনার জমিদারি প্রদান করেন। তার পুত্র রামেশ্বর দত্ত। পরবর্তীকালে রাজা উপাধি পান। তিনি বাঁশ ঝাড় অধ্যুষিত এই এলাকা পরিষ্কার করে একটি দুর্গ নির্মাণ করেন। এখান থেকে এলাকার নাম হয় বাঁশবেড়িয়া। তিনি ১৬৭৯ খ্রিস্টাব্দে অনন্ত বাসুদেবের এক রত্ন মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা  […]

Read More
একরত্ন Ek Ratna

Ramchandra Temple

হুগলি জেলার বলাগর ব্লকে অবস্থিত এখানকার বিখ্যাত এক গ্রাম গুপ্তিপাড়া। মুকুন্দরাম চক্রবর্তী বিরোচিত চন্ডীমঙ্গল কাব্যে এই স্থানের উল্লেখ রয়েছে। একসময় সংস্কৃত চর্চার পিঠস্থান ছিল এই গুপ্তিপাড়া। চারদিকে এক বিশাল প্রাচীর ঘেরা জায়গায় যে মন্দিরগুলি অবস্থান করছে তার মধ্যে অন্যতম রামচন্দ্রের মন্দির। সপ্তদশ শতকে এই মন্দিরটি স্থাপিত হয়। অষ্টকোন আকৃতির শিখর সহ চারচালা ছাদের মন্দিরটি এক […]

Read More

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *