image

হরিপাল শিব মন্দির Haripal Shiv Temple

হুগলি জেলার হরিপাল থানার মধ্যে রায় পাড়াতে সর্ব প্রাচীন যে মন্দিরটি আছে সেটি হল ১৬৫৪ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত রাধাগোবিন্দ মন্দির। এই মন্দির এবং দুর্গা দালান সংলগ্ন "সাতবাড়ি রায়বংশীয় শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ জিউ" প্রবেশ তোরণের সামনে  একটি অতি প্রাচীন আটচালা শিব মন্দির  রয়েছে।  অনুমান এই মন্দিরটি  সপ্তদশ শতকে নির্মিত হয়েছিল। এটি ১৭৫৯ সালে সংস্কার করা হয়্।

The oldest temple in Rai Para, Haripal police station of Hooghly district, is the Radha Govinda Temple, established in 1654 AD. This temple and the Durga Hall are adjacent to the "Satbari Raivanshiya Sri Sri Radha Govinda Jiu" in front of the entrance gate.There is a very ancient Atchala Shiva temple. It is believed to have been built in the 17th century. It was renovated in 1759.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Articles

আটচালা Aath Chala

কদমকুণ্ডু খড়গেশ্বর শিব মন্দির Kadamkundu Kharageshwar Shiva Temple

খড়গেশ্বর শিব মন্দির, কদমকুণ্ডু (ক্ষীরপাই শহর, মেদিনীপুর ) চিন্ময় দাশ    শীলাবতি, রূপনারায়ণ, কেঠিয়া, কুবাই, বুড়িগাং, আমোদর ইত্যাদি ছোট-বড় অনেকগুলি নদীর জলধারায় পুষ্ট ঘাটাল মহকুমা। নদীগুলির অববাহিকা এলাকা জুড়ে উর্বর কৃষিভূমি। সারা মহকুমার অর্থনীতি পুষ্ট হয়েছিল তাতে। এগুলি ছাড়াও, নীল চাষ, লোহা-কাঁসা-পিতলের ধাতু শিল্প, পটশিল্প, শঙ্খশিল্প ছিল এই এলাকায়। সোনায় সোহাগা হয়েছিল   বয়নশিল্প। পাট, বিশেষ […]

Read More
আটচালা Aath Chala

ক্ষেপুত ক্ষেপুতেশ্বরী মন্দির Kheput Kheputeshwari Temple

ক্ষেপুতেশ্বরী মন্দির, ক্ষেপুত (থানা- দাসপুর, মেদিনীপুর) চিন্ময় দাশ ধীর প্রবাহী নদ রূপনারায়ণ। এর পশ্চিম পাড়ের একাংশ জুড়ে মেদিনীপুর জেলার দাসপুর থানা। সেখানে উত্তরবাড় আর দক্ষিণবাড় দুই মৌজা মিলে একটি গ্রাম গড়ে উঠেছে– ক্ষেপুত। গ্রামের হঠাৎ এমন নাম হোল কেন? হবে নাই বা কেন? সেই কোন সুদূর কাল থেকে  ক্ষিপ্তেশ্বরী নামের এক দেবী বিরাজ করেন এখানে। […]

Read More
আটচালা Aath Chala

কাশীপুর-ঔরঙ্গাবাদ কাশীশ্বর শিব মন্দির Kashipur–Aurangabad Kashishwar Shiva Temple

কাশীশ্বর শিব মন্দির, কাশীপুর-ঔরঙ্গাবাদ (থানা– কেশিয়াড়ি। মেদিনীপুর) চিন্ময় দাশ শ’-তিনেক বছর আগের কথা। তখন কেশিয়াড়ি বলতে একটি মৌজাকেই বোঝাতে না। ৩৬টি গ্রাম নিয়ে গড়ে উঠেছিল সেদিনের কেশিয়াড়ির পরিচিতি। রেশমশিল্পের সুবাদে, তখন কেশিয়াড়ি এলাকার অর্থনীতি পুষ্ট হয়েছিল বিপুলভাবে। ৩৬টি গ্রাম ভাগ করা ছিল ১২টি ভাগে। প্রত্যেক ভাগের কেন্দ্রস্থলে ছিল ১টি করে শিবমন্দির। সেই ১২টি মন্দির বা […]

Read More