image

দলপতিপুর শ্রীধরজীউ Dalapatipur Sridhar Jiu

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ঘাটাল থানার অন্তর্গত খড়ার পৌরসভার দলপতিপুর গ্রামে একটি পঞ্চরত্ন মন্দির রয়েছে। পূর্বমুখী এই মন্দিরটি একটি উল্লেখযোগ্য পুরাকীর্তি। এখানে বিষ্ণু শ্রীধরজীউ রূপে পূজিত হন। ত্রিখিলান যুক্ত মন্দিরের ধনুকাকৃতি উপরের অংশে বেশ কিছু টেরাকোটা ফলক এখনো আছে। রাম রাবণের যুদ্ধ , কৃষ্ণ লীলা এর মূল প্রতিপাদ্য বিষয়। খিলান গুলির ধারে স্তম্ভের মধ্যেও কিছু টেরাকোটা ফলকের অস্তিত্ব আছে। মন্দিরের কাঠের দরজা দুটির পাল্লাতেও বেশ কিছু দেবদেবীর মূর্তি এবং ফুলকারী নকশা খোদাই করা আছে। দরজার দুপাশে টেরাকোটার দুটি বড় দ্বারপাল মূর্তিও রয়েছে।
প্রণব রায় লিখিত 'মেদিনীপুর জেলার প্রত্ন সম্পদ' গ্রন্থে একটি অস্পষ্ট পোড়ামাটির লিপির উল্লেখ আছে। সেখানে নিবন্ধ ছিল-
'সন ১২৩৫ সাল / সকাব্দা ১৭৫০'....
এই লিপি অনুসারে বোঝা যায় যে মন্দিরটি  ইংরেজি ১৮২৮ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

There is a Pancharatna temple in Dalpatipur village of Kharar Municipality under Ghatal police station of Paschim Medinipur district. This east-facing temple is a notable antiquities. Here Vishnu is worshipped in the form of Shridharjiu. Several terracotta plaques still exist in the arched upper part of the temple with three arches. The main theme of the plaques is the battle of Rama and Ravana, Krishna Leela. Some terracotta plaques also exist in the pillars of the temple.The wooden doors of the temple also have several statues of gods and goddesses carved on them, along with floral designs. There are also two large terracotta gatekeeper statues on either side of the doors.
There is a reference to an obscure terracotta inscription in the book 'Medinipur jelar pratna sampad'' written by Pranab Roy. The entry there was-

'sana 1235 sāla/ sakābdā 1750'....

According to this inscription, it is understood that the temple was established in 1828 AD

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Articles

পঞ্চরত্ন Pancha Ratna

আনন্দপুর রঘুনাথ মন্দির Anandapur Raghunath Temple

রঘুনাথ মন্দির, আনন্দপুর (থানা– কেশপুর, মেদিনীপুর ) চিন্ময় দাশ এককালে সমৃদ্ধ রেশম ও তসরশিল্পের সমৃদ্ধ জনপদ হিসাবে গডে় উঠেছিল আনন্দপুর। সেই সুবাদে কয়েকজন জমিদারের উদ্ভব হয়েছিল এই গ্রামে। বেশ কয়েকটি দেবমন্দির নির্মাণ করেছিলেন তাঁরা। এছাড়া অন্যভাবেও জমিদার হয়েছিল এখানের `সরকার’ পদবীর একটি পরিবার। কর্ণগডে়র রাজা যশোবন্ত সিংহের দেওয়া সম্পত্তিতে জমিদারী হয়েছিল তাঁদের। পরে, রানি শিরোমণিও […]

Read More
পঞ্চরত্ন Pancha Ratna

মাংলই রাধাদামোদর মন্দির Mangloi Radha Damodar Temple

রাধাদামোদর মন্দির, মাংলই (পাঁশকুড়া থানা, মেদিনীপুর) চিন্ময় দাশ শত বর্ষ আয়ু হলে, তখন পুরাবস্তুর আখ্যা জোটে কোনও মন্দিরের কপালে। সেটি তখন হেরিটেজ বা ঐতিহ্য হিসাবেও গণ্য হয়ে উঠতে পারে। এমন মন্দিরের সংখ্যা মেদিনীপুর জেলায় বোধকরি এক হাজারের কম নয়। কিন্তু কেবলমাত্র অলঙ্করণের গৌরবে জেলার যে কয়েকটি মন্দির একেবারে সামনের সারিতে আছে, মাংলই গ্রামের এই মন্দির […]

Read More
পঞ্চরত্ন Pancha Ratna

দক্ষিণ ময়নাডাল রাধাগোবিন্দ মন্দির Dakshin Mainadal Radhagovinda Temple

  রাধাগোবিন্দ মন্দির, দক্ষিণ ময়নাডাল (থানা– পাঁশকুড়া, মেদিনীপুর) চিন্ময় দাশ আড়াই শ’ তিনশ’ বছর আগের কথা। একটা সময়কাল জুড়ে অনেকগুলি সম্প্রদায়ের মঠ গড়ে উঠেছিল মেদিনীপুর জেলায়। রামানুজ সম্প্রদায়, নিম্বার্ক সম্প্রদায়, গৌড়ীয় বৈষ্ণব সম্প্রদায় তাদের অন্যতম। মন্দিরও নির্মাণ করেছিল এরা প্রত্যেকেই। এই তালিকায় ছিল মধ্বাচার্য্য সম্প্রদায়ও। সারা ভারতবর্ষ জুড়ে, বহু মঠ-মন্দির ছিল এদের। মেদিনীপুর জেলাতেও একটি […]

Read More