image

গজলক্ষী মন্দির Gajalaxmi Temple

হাওড়া জেলার আমতা থানায় অমরাগড়ি গ্রামে অন্যতম প্রাচীন টেরাকোটা অলংকরণ সমৃদ্ধ যে স্থাপত্যটি রয়েছে সেটি হল গজলক্ষী মন্দির। আটচালা মন্দিরটি বর্তমানে প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত। খিলানের ওপরে একসময় পদ্ম এবং কল্পলতা উৎকীর্ণ ছিল। এটি স্থানীয় রায় পরিবারের পারিবারিক মন্দির। 

The Gajalaxmii Temple, situated in the quaint village of Amargarhi within the jurisdiction of Amta police station in Howrah district, stands as one of the most venerable structures adorned with terracotta. This Atchala temple, once a testament to architectural splendor, now lies in a state of considerable disrepair.

The temple has been a sacred heritage of the local Roy family for generations.The temple's walls were once resplendent with intricate terracotta carvings, showcasing a variety of themes

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Articles

আটচালা Aath Chala

কদমকুণ্ডু খড়গেশ্বর শিব মন্দির Kadamkundu Kharageshwar Shiva Temple

খড়গেশ্বর শিব মন্দির, কদমকুণ্ডু (ক্ষীরপাই শহর, মেদিনীপুর ) চিন্ময় দাশ    শীলাবতি, রূপনারায়ণ, কেঠিয়া, কুবাই, বুড়িগাং, আমোদর ইত্যাদি ছোট-বড় অনেকগুলি নদীর জলধারায় পুষ্ট ঘাটাল মহকুমা। নদীগুলির অববাহিকা এলাকা জুড়ে উর্বর কৃষিভূমি। সারা মহকুমার অর্থনীতি পুষ্ট হয়েছিল তাতে। এগুলি ছাড়াও, নীল চাষ, লোহা-কাঁসা-পিতলের ধাতু শিল্প, পটশিল্প, শঙ্খশিল্প ছিল এই এলাকায়। সোনায় সোহাগা হয়েছিল   বয়নশিল্প। পাট, বিশেষ […]

Read More
আটচালা Aath Chala

ক্ষেপুত ক্ষেপুতেশ্বরী মন্দির Kheput Kheputeshwari Temple

ক্ষেপুতেশ্বরী মন্দির, ক্ষেপুত (থানা- দাসপুর, মেদিনীপুর) চিন্ময় দাশ ধীর প্রবাহী নদ রূপনারায়ণ। এর পশ্চিম পাড়ের একাংশ জুড়ে মেদিনীপুর জেলার দাসপুর থানা। সেখানে উত্তরবাড় আর দক্ষিণবাড় দুই মৌজা মিলে একটি গ্রাম গড়ে উঠেছে– ক্ষেপুত। গ্রামের হঠাৎ এমন নাম হোল কেন? হবে নাই বা কেন? সেই কোন সুদূর কাল থেকে  ক্ষিপ্তেশ্বরী নামের এক দেবী বিরাজ করেন এখানে। […]

Read More
আটচালা Aath Chala

কাশীপুর-ঔরঙ্গাবাদ কাশীশ্বর শিব মন্দির Kashipur–Aurangabad Kashishwar Shiva Temple

কাশীশ্বর শিব মন্দির, কাশীপুর-ঔরঙ্গাবাদ (থানা– কেশিয়াড়ি। মেদিনীপুর) চিন্ময় দাশ শ’-তিনেক বছর আগের কথা। তখন কেশিয়াড়ি বলতে একটি মৌজাকেই বোঝাতে না। ৩৬টি গ্রাম নিয়ে গড়ে উঠেছিল সেদিনের কেশিয়াড়ির পরিচিতি। রেশমশিল্পের সুবাদে, তখন কেশিয়াড়ি এলাকার অর্থনীতি পুষ্ট হয়েছিল বিপুলভাবে। ৩৬টি গ্রাম ভাগ করা ছিল ১২টি ভাগে। প্রত্যেক ভাগের কেন্দ্রস্থলে ছিল ১টি করে শিবমন্দির। সেই ১২টি মন্দির বা […]

Read More