image

Shyam Rai শ্য়াম রায় মন্দির

পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে বিখ্যাত টেরাকোটা অলংকৃত মন্দির বিষ্ণুপুরের শ্যামরায় মন্দির। বিখ্যাত পঞ্চরত্ন এই মন্দিরটি বিষ্ণুপুরের রাজ দরবার,  দলমাদল পাড়ায় অবস্থিত। মন্দিরটির প্রতিষ্ঠা লিপি থেকে জানা যায় ৯৪৯ মল্লাব্দে অর্থাৎ ১৬৪৩ খ্রিস্টাব্দে রাজা বীর হামবীরের পুত্র রাজা রঘুনাথ সিংহ এই মন্দিরটি তৈরি করেছিলেন। মন্দিরে অন্যান্য যেসব ফলক রয়েছে তার মধ্যে শিল্পী এবং তদারকি কর্মীদের নাম উল্লেখিত হয়েছে বলে মনে করা হয়। চারিদিকে ত্রীখিলান যুক্ত বারান্দার সাথে এক সরু প্রদক্ষিণ পথ চারপাশে রয়েছে। ছাদের চারদিকে যে চারটি চূড়া রয়েছে , সেগুলি চারকোনা এবং কেন্দ্রীয় চুরাটি আট কোনা।
মন্দিরে প্রতিষ্ঠা লিপি সহ আরো কয়েকটি  লিপি ফলক আছে।
মন্দির ফলকের বিস্তৃত আলোচনা চিত্তরঞ্জন দাশগুপ্ত প্রণীত 'ভারতের শিল্প সংস্কৃতির পটভূমিকায় বিষ্ণুপুরের মন্দিরে টেরাকোটা ' গ্রন্থে লিপিবদ্ধ হয়েছে।

The most famous terracotta decorated temple in West Bengal is the Shyamrai Temple in Bishnupur. This famous Pancharatna temple is located in the Raj Darbar, Dalmadal Para, Bishnupur. The foundation inscription of the temple shows that this temple was built in 949 Mallabde i.e. 1643 AD by Raja Raghunath Singh, son of Raja Bir Hambir. Other plaques in the temple are believed to mention the names of the artists and supervisors. There is a narrow circumambulation path around it with a three-arched verandah all around. The four peaks surrounding the roof are square and the central peak is octagonal.
There are several other inscriptions in the temple, including the foundation inscription.
A detailed discussion of the temple plaques is recorded in the book ' Bharater silpa sanskritir patobhumikay Bishnupurer Mondir teracotta ' by Chittaranjan Dasgupta.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Articles

পঞ্চরত্ন Pancha Ratna

আনন্দপুর রঘুনাথ মন্দির Anandapur Raghunath Temple

রঘুনাথ মন্দির, আনন্দপুর (থানা– কেশপুর, মেদিনীপুর ) চিন্ময় দাশ এককালে সমৃদ্ধ রেশম ও তসরশিল্পের সমৃদ্ধ জনপদ হিসাবে গডে় উঠেছিল আনন্দপুর। সেই সুবাদে কয়েকজন জমিদারের উদ্ভব হয়েছিল এই গ্রামে। বেশ কয়েকটি দেবমন্দির নির্মাণ করেছিলেন তাঁরা। এছাড়া অন্যভাবেও জমিদার হয়েছিল এখানের `সরকার’ পদবীর একটি পরিবার। কর্ণগডে়র রাজা যশোবন্ত সিংহের দেওয়া সম্পত্তিতে জমিদারী হয়েছিল তাঁদের। পরে, রানি শিরোমণিও […]

Read More
পঞ্চরত্ন Pancha Ratna

মাংলই রাধাদামোদর মন্দির Mangloi Radha Damodar Temple

রাধাদামোদর মন্দির, মাংলই (পাঁশকুড়া থানা, মেদিনীপুর) চিন্ময় দাশ শত বর্ষ আয়ু হলে, তখন পুরাবস্তুর আখ্যা জোটে কোনও মন্দিরের কপালে। সেটি তখন হেরিটেজ বা ঐতিহ্য হিসাবেও গণ্য হয়ে উঠতে পারে। এমন মন্দিরের সংখ্যা মেদিনীপুর জেলায় বোধকরি এক হাজারের কম নয়। কিন্তু কেবলমাত্র অলঙ্করণের গৌরবে জেলার যে কয়েকটি মন্দির একেবারে সামনের সারিতে আছে, মাংলই গ্রামের এই মন্দির […]

Read More
পঞ্চরত্ন Pancha Ratna

দক্ষিণ ময়নাডাল রাধাগোবিন্দ মন্দির Dakshin Mainadal Radhagovinda Temple

  রাধাগোবিন্দ মন্দির, দক্ষিণ ময়নাডাল (থানা– পাঁশকুড়া, মেদিনীপুর) চিন্ময় দাশ আড়াই শ’ তিনশ’ বছর আগের কথা। একটা সময়কাল জুড়ে অনেকগুলি সম্প্রদায়ের মঠ গড়ে উঠেছিল মেদিনীপুর জেলায়। রামানুজ সম্প্রদায়, নিম্বার্ক সম্প্রদায়, গৌড়ীয় বৈষ্ণব সম্প্রদায় তাদের অন্যতম। মন্দিরও নির্মাণ করেছিল এরা প্রত্যেকেই। এই তালিকায় ছিল মধ্বাচার্য্য সম্প্রদায়ও। সারা ভারতবর্ষ জুড়ে, বহু মঠ-মন্দির ছিল এদের। মেদিনীপুর জেলাতেও একটি […]

Read More