বাংলায় চন্দ্রকেতুগর , মহাস্থান, সোমপুর , পাহাড়পুর অঞ্চল গুলিতে খনন কার্যের ফলে যে নিদর্শন গুলি দেখতে পাওয়া গেছে , তাতে টেরাকোটা ঐতিহ্যের প্রাচিনত্ব সম্বন্ধে বোঝা যায়। পরবর্তীতে বাংলার নিজস্ব ঘরানার সাথে ইন্দ মুসলিম ঘরানা এবং ইউরোপীয় ঘরানার সংযুক্তিতে বেশ কিছু অনন্য স্থাপত্য গড়ে ওঠে ।
মন্দির মসজিদ ছাড়াও বাংলার স্থাপত্য ইতিহাসে পোড়ামাটি , ইট দিয়ে তৈরি এবং টেরাকোটা শিল্প সমৃদ্ধ বিভিন্ন নিদর্শন দেখতে পাওয়া যায়। যেমন ঐতিহ্যবাহী রাজবাড়ী ও প্রাসাদ , বাংলো, স্মৃতি সৌধ, সেতু , মিনার ইত্যাদি। এছাড়াও লোকশিল্প চর্চায় টেরাকোটার ব্যবহার বর্তমানেও প্রচলিত।
The artifacts found during excavations in the Chandraketugarh , Mahasthan, Sompur, and Paharpur regions of Bengal provide insight into the antiquity of the terracotta tradition. Later, several unique architectural styles emerged through the combination of Bengal’s own styles, Indo-Muslim styles, and European styles.
Apart from temples and mosques, the architectural history of Bengal is rich in various artifacts made of terracotta, brick and terracotta art, such as traditional palaces , bungalows, memorials, bridges, minarets, etc.
Additionally, the use of terracotta in folk art practices is still prevalent today.
ফিরোজ মিনার Firoz Minar
মালদা জেলার সদর মালদা শহর থেকে প্রায় কুড়ি কিলোমিটার দূরে গৌর অবস্থিত। গৌড় অঞ্চলে যে স্থাপত্য গুলি অবস্থান করছে। তার মধ্যে অন্যতম ফিরোজ মিনার বা ফিরোজা মিনার।বর্তমানে ৮৪ ফুট উঁচু এবং ৬২ ফুট ব্যাস বিশিষ্ট মিনারটি এক সময় নীল বর্ণের মিনা করা ইটের দ্বারা তৈরি ছিল বলে এটিকে ফিরোজা মিনার বলে কেউ কেউ অভিহিত করেছেন। […]
Read More
একলাখী সমাধি ভবন Ek Lakhi Samadhi Bhaban
মালদা জেলায় ইংরেজ বাজার থেকে ১১ মাইল এবং গৌড় থেকে কুড়ি মাইল দূরে পান্ডুয়া অবস্থিত। এই অঞ্চলটিকে পারুয়া বা পেড়ো বা পেঁড়ো নামেও ডাকা হতো। হুগলি জেলার পান্ডুয়া থেকে আলাদা হিসেবে দেখানোর জন্য এই অঞ্চলটিকে অনেকে হজরত পান্ডুয়া বলে অভিহিত করেন। পান্ডুয়া তে অবস্থিত সোনা মসজিদের কাছে, একলাখী সমাধি ভবন অবস্থান করছে। কেউ কেউ এটাকে […]
Read More
দাসপুর নাড়াজোল রাজবাড়ি Daspur Narajole palace
র্তমানে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুর থানার এলাকাধীন নাড়াজোল একসময় মেদিনীপুরের অন্যতম বৃহত জমিদারি ছিল। বিশিষ্ট ঐতিহাসিক বিনয় ঘোষ রচিত গ্রন্থে দেখা যায় নাড়াজোল এর রাজবংশ ছিল সদগোপ জাতীয়। নাড়াজলের রাজা ত্রিলোচন খানের মৃত্যুর পর তার ভ্রাতুষ্পুত্র মতিরাম খান এবং মতিরাম খানের মৃত্যুর পর তার পিতৃব্য পুত্র সিতারাম খান এই অঞ্চলের রাজা হন। সিতারামের মৃত্যুর পর […]
Read More