উড়িষ্যার রেখ দেউলের একটি ধারা ‘ত্রিরথ’নামে অভিহিত। এই ধরনের মন্দিরে বাড় অংশটিতে তিনটে উলম্ব. ( Vertical) বিভাজিকা দেখা যায়। পরবর্তীকালে শিখর অংশটি পাঁচটি সুস্পষ্ট উল্লম্ব অংশে বিভাজিত হয়। তখন একে বলা হয় ‘পঞ্চরথ’। মাঝখানের উলম্ব অংশটিকে বলে ‘রাহা’ একদম কোণের উল্লম্ব অংশগুলিকে বলে ‘কোণক’ এবং মধ্যবর্তী অংশ গুলিকে বলে ‘অনর্থ’। চারদিকের দেয়াল গুলির প্রতিটি দেয়াল এইভাবে পাঁচ ভাগে বিভক্ত হয়।
পঞ্চরথ মন্দিরে এই সুস্পষ্টভাবে বিভাজিত উলম্ব রেখা গুলি নিচ থেকে ওপরের দিকে উঠে গেছে এবং শিখর পর্যন্ত ক্রমশ ভেতর দিকে বেঁকে গিয়েছে।
ডেভিড ম্যাককাচ্চন এই মন্দিরগুলিকে দুই ভাগে ভাগ করেছেন প্রথমত বৃহৎ সুষম বক্ররেখা যুক্ত এবং ক্ষুদ্র সুষম বক্ররেখা যুক্ত।
The Rekh Deul temples of Orissa feature a unique ‘Triratha’ section, characterized by triple vertical divisions. When the summit is subdivided into five sections, it is designated ‘Pancharatha.”
The Pancharatha’s vertical divisions comprise:
– one Raha (central)
– two Konak (angular)
– two Anartha (intermediate)
Each surrounding wall features this five distinct parts, with vertical lines curving inward toward the summit.
Eminent expert David McCutcheon categorized Pancharatha temples into two groups:
1. Large symmetrical curves
2. Small symmetrical curves
This classification highlights the subtle variations within Pancharatha temple design.
জগন্নাথ মন্দির Jagannath Temple
জগন্নাথ মন্দির, সুজাগঞ্জ, মেদিনীপুর শহর।চিন্ময় দাশ বহু প্রাচীন কালের নগরী মেদিনীপুর। কপিসা বা কংসাবতী নদীর উত্তর তীরে গড়ে উঠেছে এই নগরী। দক্ষিণ দিকে নদী অতিক্রম করে শহরে ঢোকার মুখেই আকাশে মাথা তুলে দাঁড়ানো ঋজু গড়নের জগন্নাথ মন্দির। দেখামাত্রই মনে হয়, এই শহরের প্রাণপুরুষ, শহরের অভিভাবক হলেন জগন্নাথ দেব।তবে, এখন যে মন্দির আমরা দেখি, সেটি প্রকৃতপক্ষে […]
Read More
রাধাগোবিন্দ জীউ Radhagovinda jiu
শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দ মন্দির, লোয়াদা (ডেবরা থানা, জেলা মেদিনীপুর)চিন্ময় দাশ বড় মাপের মন্দির গড়া হয়েছে, কিন্তু কোন না কোনও দুর্বিপাকে, বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়নি—এমন কয়েকটি অভিশপ্ত মন্দির মেদিনীপুর জেলাতেও আছে। এমনই দুর্দৈবের শিকার হয়েছিল ধনবান একটি মোদক পরিবার। মন্দির প্রতিষ্ঠার প্রাক্কালে, ব্জ্রপাত হয় মন্দিরে। দেবতার বিগ্রহ স্থাপন করা হয়নি। চিরকালের জন্য পরিত্যক্ত হয়ে যায় দেবালয়টি। […]
Read More
দেবীপুর লক্ষ্মী জনার্দন মন্দির Lakshmi Janardan temple Debipur
বর্ধমান জেলার মেমারি থানার অন্তর্গত দেবীপুর এক বর্ধিষ্ণু গ্রাম। এই গ্রামে সিংহ পরিবার প্রতিষ্ঠিত লক্ষ্মী জনার্দন মন্দিরটি এক অতি সুন্দর পুরা কীর্তি। মন্দিরটি উড়িষ্যা ঘরানার রেখ দেউল আদলে তৈরি হয়েছে। মন্দিরটি সংলগ্ন উচু ভিত্তি ভূমির উপরে ত্রিখিলান যুক্ত একটি এক বাংলা কাঠামো (জগমোহন) রয়েছে।মন্দির টি একটি অতি উৎকৃষ্ট টেরাকোটা সমৃদ্ধ স্থাপত্য। প্রায় ৫০ ফুট উচ্চ […]
Read More
ইছাই ঘোষের দেউল Ichai Ghosher Deul
পশ্চিম বর্ধমান জেলার গৌরাঙ্গপুর এর কাছে অজয় নদীর ধারে যে দেউলটি আছে তা ইছাই ঘোষের দেউল নামে পরিচিত। ষোড়শ শতকে নির্মিত স্থাপত্যটি অনবদ্য শিখর রীতির ঘরানায় তৈরি। এই অঞ্চলটি একসময় গোপভুমের সদগোপ রাজাদের অধীনে ছিল। এই শাসকেরা ঈশ্বর ঘোষকে তাদের আদি পুরুষ হিসেবে স্মরণ করত। সম্ভবত তারই নামে নামাঙ্কিত হয়েছিল ইছাই ঘোষের দেউল।দেউলটিতে নকশা কাটা […]
Read More
জটার দেউল Jatar Deul
দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার ডায়মন্ডহারবার সাবডিভিশনে মথুরাপুর দুই ব্লকে প্রাচীন এই দেউল টি অবস্থিত। জটাধারী শিবের নাম অনুসারে দেউলটির নাম হয় জটার দেউল। The list of ancient monuments in the presidency division , Government of West Bengal ,1896, শীর্ষক গ্রন্থে দেখা যায় যে ১৮৭৫ খ্রিস্টাব্দে ডায়মন্ড হারবারের ডেপুটি কালেক্টর জানাচ্ছেন যে এই দেউল সংলগ্ন অঞ্চলের জঙ্গল […]
Read More
Sonatapal
বাঁকুড়া থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার দূরে সোনাতপল গ্রামে বাঁকুড়া জেলার অন্যতম পুরা কীর্তি ইটের তৈরি এক বিশাল দেউল অবস্থান করছে। এতে ব্যবহার করা হয়েছে ১২ ইঞ্চি বাই সাড়ে ৮ ইঞ্চি বাপের ইট। অত্যন্ত পুরু দেওয়াল সম্বলিত এই স্থাপত্যটির উচ্চতা প্রায় ৫০ ফুট। আনুমান খ্রিস্টীয় ১১ শতকে এই স্থাপত্যটি নির্মিত হয়েছিল। কিরে কোন বিগ্রহ নেই। জনশ্রুতি […]
Read More