image

মন্দির Temple

টেরাকোটা মন্দির

মাটি পুড়িয়ে যে শিল্প  তৈরি হয়েছে সেগুলি টেরাকোটা শিল্প। মন্দির স্থাপত্যে টেরাকোটার অলংকরণ বাংলার এক ব্যতিক্রমী ঐতিহ্য। বাংলায় প্রাচীনকাল থেকেই মন্দির তৈরীর ক্ষেত্রে পাথরের অভাবে ইট ব্যবহার হয়ে আসছে। মাটির তৈরি এই শিল্প আয়ুর দিক থেকে ক্ষণস্থায়ী। প্রচুর মন্দির এই কারণে ধ্বংস হয়ে গেছে এবং আরো কিছু মন্দির ধ্বংস হওয়ার পথে।
সাধারণত মন্দিরের রূপ নির্ভর করে তার আচ্ছাদন বা উপরি অংশের উপর। আচ্ছাদনের আকৃতি ও বৈশিষ্ট্য অনুসারে বাংলার মন্দিরগুলি চারটি রীতিতে বিভক্ত শিখরের রীতি, পীড়া রীতি ,চালা রীতি ও রত্ন রীতি।

এর মধ্যে শিখর ও পীড়া বা ভদ্র রীতি উড়িষ্যা র হাত ধরে বাংলায় প্রবেশ করেছে এবং চালা ও রত্ন রীতি বাংলার নিজস্ব বৈশিষ্ট্য। প্রথম দুটি ক্ষেত্রে মন্দিরের ছাদ বা আচ্ছাদন দেওয়ালের উপর থেকে ক্রমহ্রাসমান আকৃতিতে সোজা ওপরে উঠে একটা নির্দিষ্ট স্থানে মিলিত হয়।

চালা রীতি টি বাংলার নিজস্ব কুটির ধারণার থেকে গড়ে উঠেছে। চাল বা  চালা মন্দিরের ছাদ। মন্দিরের তলা বাড়িয়ে অর্থাৎ একতলা দোতলা তিনতলা এইভাবে উপরের আচ্ছাদন অলংকৃত হয়েছে। এক্ষেত্রে দোচালা চারচালা আটচালা বারো চালা এইভাবে মন্দিরগুলি দেখতে পাওয়া যায়। একতলা কি ব্যবহারযোগ্য , অন্যতলাগুলি অলঙ্করন।এই চালার চারিধারে চূড়া বা রত্ন স্থাপন করে রত্ন মন্দির ধারনাটি গড়ে উঠেছে।
উপরোক্ত বিষয়টি ছাড়াও মন্দির স্থাপত্যে বিভিন্ন রকম ধারার প্রয়োগ ঘটেছে। সমস্ত মন্দিরগুলি স্থাপত্য এবং গঠন অনুসারে বর্গীকরণের জন্য আমরা ডেভিড ম্যাককাচ্চন প্রদর্শিত পথটি গ্রহণ করেছি।

বাংলার এই মন্দির স্থাপত্যের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে মন্দিরের সম্মুখভাগের ( facade ) অসম্ভব সুন্দর অলংকরণ। এই অলংকরণগুলি সম্মকভাবে অনুধাবন করতে গেলে মন্দিরের সম্মুখভাগের উপবিভাগ গুলি জানা থাকলে ভালো হয়। উপরের রেখাচিত্রে এর একটা ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করা হলো।

এই শিল্পের সাথে অঙ্গাঙ্গী ভাবে জড়িয়ে আছেন  শিল্পীরা যারা এই মন্দিরগুলি নির্মান ও অলংকরণ করেছিলেন। রাজা জমিদার এবং সমাজের উঁচু অংশের মানুষের অর্থে মন্দিরগুলি নির্মিত হলেও এর অলংকরণের জন্য ডাক পড়তো এই দরিদ্র মানুষগুলির। টেরাকোটা শিল্পে মানব জীবনের যে অফুরন্ত প্রাণ রস দেখা যায় তা উঠে এসেছিল এই শিল্পীদের জীবনবোধ থেকে । মন্দির অলংকরণে সেই কারণেই দেখা যায় দেবতাদের শাস্ত্রীয় রূপের থেকে লৌকিক রূপটাই বেশি। এই শিল্পীদের সমাজে একটা অত্যন্ত সম্মানীয় স্থান ছিল। তারা নিজেদের নামের সঙ্গে মিস্ত্রী ,সূত্রধর , সুতার, কারিগর এই ধরনের পরিচয় জ্ঞাপক শব্দ গুলি ব্যবহার করতেন।

কালের বিবর্তনে এবং ভৌগোলিক সীমার বিভিন্নতায় এই শিল্পের বিভিন্ন রূপ , বিভিন্ন আঙ্গিকের ক্রমবিকাশ আমাদের আকৃষ্ট করে।

The art made by burning clay is called terracotta art. Terracotta decoration in temple architecture is an exceptional tradition of Bengal. Since ancient times in Bengal, bricks have been used in the construction of temples due to lack of stone. This art made of clay is short-lived. Many temples have been destroyed due to this and many more are on the way.
Generally the form of a temple depends on its cover or upper part. According to the shape and characteristics of the covering, the temples of Bengal are divided into four styles: Shikhar style, Peera style, Chala style and Ratna style.

Among them Shikhar and Peera or Bhadra style entered Bengal through the hands of Orissa and Chala and Ratna style are characteristic of Bengal.
In the first two cases the roof or covering of the temple rises straight up from the wall in a descending shape and meets at a fixed point.

The Chala style evolved from Bengal’s own cottage concept. Chala or Chala temple roof. By raising the storeys of the temple i.e. one storey, two storeys and three storeys, the upper cover has been decorated. In this case the temples can be seen as Dochala Fourchala Eightchala Barochala. One floor is usable, the other floors are decorative. The Ratna Mandir concept is developed by placing Chura or Ratna around this Chala.
Apart from the above, various styles have been applied in temple architecture. To classify all the temples according to architecture and structure we have adopted the path shown by David McCutcheon.

One of the characteristics of this temple architecture of Bengal is the incredibly beautiful decoration of the front portion of the temple. To properly appreciate these decorations, it is better to know the subdivisions of the temple facade. The above diagram tries to give an idea of ​​this.

Inextricably linked with this art are the artists who built and decorated these temples. Although the temples were built with the money of the kings , zamindars and people from the upper part of the society, these poor people were called upon to decorate them. The endless vitality of human life that can be seen in the terracotta art emerged from the sense of life of these artists. That is why the secular forms of the deities are seen more than the classical forms in the temple decoration. These artists had a very respectable place in society. They used identifying words such as mistri, sutradhar, sutar, karigar along with their names.
In the evolution of time and different geographical boundaries, the different forms of this art, the development of different aspects attract us.

রাধাগোবিন্দ জীউ Radhagovinda jiu

শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দ মন্দির, লোয়াদা (ডেবরা থানা, জেলা মেদিনীপুর)চিন্ময় দাশ বড় মাপের মন্দির গড়া হয়েছে, কিন্তু কোন না কোনও দুর্বিপাকে, বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়নি—এমন কয়েকটি অভিশপ্ত মন্দির মেদিনীপুর জেলাতেও আছে। এমনই দুর্দৈবের শিকার হয়েছিল ধনবান একটি মোদক পরিবার। মন্দির প্রতিষ্ঠার প্রাক্কালে, ব্জ্রপাত হয় মন্দিরে। দেবতার বিগ্রহ স্থাপন করা হয়নি। [...]

Read More

দাসপুর নাড়াজোল মৃত্যুঞ্জয় শিবমন্দির Daspur Narajole Mrityunjoy Shiv Temple

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুর থানা অঞ্চলে নাড়াজোল রাজবাড়িতে একটি শিব মন্দির দেখতে পাওয়া যায়। আটচালা এই মন্দিরটি মৃত্যুঞ্জয় শিবের মন্দির নামে খ্যাত । পশ্চিমমুখী এই মন্দিরটিতে এক প্রতিষ্ঠা লিপি অনুসারে জানা যায় যে এটি ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত হয়েছিল। মন্দিরটিতে বেশ কিছু টেরাকোটা অলংকরণ আছে।A Shiva temple can be found in Narajol Rajbari in the [...]

Read More

দাসপুর গোপিনাথজিউ Daspur Gopinath Jiu

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুর এলাকায় সিংহ পাড়ায় একটি পূর্বমুখী এক রত্ন মন্দির আছে। এটি সিংহ পরিবার কর্তৃক স্থাপিত গোপীনাথের মন্দির। সামনের দিকে একটি অস্পষ্ট ফলক দেখে বোঝা যায় যে মন্দিরটি ১৬৩৮ শকাব্দ অর্থাৎ ১৭১৬ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। মন্দিরের চুড়াটি ছাদের মাঝখানে এমন ভাবে বসানো যে বাইরে থেকে দেখলে মনে হবে যেন এটি আলগোছে বসানো হয়েছে। [...]

Read More

ঘাটাল সিংহবাহিনী মন্দির Ghatal Singhabahini Temple

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ঘাটাল পৌরসভার অন্তর্গত কোন্নগর গ্রামে কর্মকার পাড়ায় অতি প্রাচীন একটি মন্দির রয়েছে। সিংহ বাহিনীর মন্দির নামে খ্যাত এই মন্দিরটি গঠন বৈশিষ্ট্য একটু অন্যরকম। একটি চার চালা মন্দিরের সামনে আরেকটি চার চালা জগমোহন সংযুক্ত হয়েছে। মূল মন্দিরটি থেকে জগমোহন টি একটু খাটো। দুটি মন্দিরের শীর্ষেই একটি করে ছোট আমলক দেখতে পাওয়া যায়। মন্দ [...]

Read More

গোবিন্দ নগর রাধাগোবিন্দজিউ ও রাধারমনজিউ মন্দির Govinda Nagar Radha Govindajiu and Radharmanjiu Temple

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা দাসপুর থানার অধীনে গোবিন্দ নগর গ্রামে একটি পঞ্চরত্ন টেরাকোটা মন্দির অবস্থান করছে। মন্দিরটি সরকার কর্তৃক সংরক্ষিত। রাধাগোবিন্দ ও রাধারমন মন্দির নামে এটি খ্যাত। দুটি আলাদা আলাদা যুগল মূর্তি এখানে অবস্থান করছে। সরকারি ঘোষণা অনুসারে দেখা যায় মন্দিরটি ১৮৭১ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত। বর্তমানে কোন প্রতিষ্ঠা লিপি লক্ষ্য করতে পারিনি। তারাপ [...]

Read More

ঘাটাল বৃন্দাবনচন্দ্র মন্দির Ghatal Brindavanchandra Temple

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ঘাটাল পৌরসভার অন্তর্গত গোস্বামী পাড়ায় শিলাবতী নদীর কাছে বৃন্দাবন চন্দ্রের মন্দিরটি প্রতিষ্ঠিত। নবরত্ন মন্দিরটি দক্ষিণমুখী। তারাপদ সাঁতরা লিখিত গ্রন্থ অনুযায়ী মন্দিরটির প্রতিষ্ঠাকাল ১৭১৬ শকাব্দ অর্থাৎ ১৭৯৪ খ্রিস্টাব্দ এবং প্রণব রায় লিখিত গ্রন্থে পাওয়া যায় মন্দিরটি ১৭১৩ শকাব্দ অর্থাৎ ১৭৯১ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত। সম্ভবত জ [...]

Read More

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মন্দির Temple

টেরাকোটা মন্দির

মাটি পুড়িয়ে যে শিল্প  তৈরি হয়েছে সেগুলি টেরাকোটা শিল্প। মন্দির স্থাপত্যে টেরাকোটার অলংকরণ বাংলার এক ব্যতিক্রমী ঐতিহ্য। বাংলায় প্রাচীনকাল থেকেই মন্দির তৈরীর ক্ষেত্রে পাথরের অভাবে ইট ব্যবহার হয়ে আসছে। মাটির তৈরি এই শিল্প আয়ুর দিক থেকে ক্ষণস্থায়ী। প্রচুর মন্দির এই কারণে ধ্বংস হয়ে গেছে এবং আরো কিছু মন্দির ধ্বংস হওয়ার পথে।
সাধারণত মন্দিরের রূপ নির্ভর করে তার আচ্ছাদন বা উপরি অংশের উপর। আচ্ছাদনের আকৃতি ও বৈশিষ্ট্য অনুসারে বাংলার মন্দিরগুলি চারটি রীতিতে বিভক্ত শিখরের রীতি, পীড়া রীতি ,চালা রীতি ও রত্ন রীতি।

এর মধ্যে শিখর ও পীড়া বা ভদ্র রীতি উড়িষ্যা র হাত ধরে বাংলায় প্রবেশ করেছে এবং চালা ও রত্ন রীতি বাংলার নিজস্ব বৈশিষ্ট্য। প্রথম দুটি ক্ষেত্রে মন্দিরের ছাদ বা আচ্ছাদন দেওয়ালের উপর থেকে ক্রমহ্রাসমান আকৃতিতে সোজা ওপরে উঠে একটা নির্দিষ্ট স্থানে মিলিত হয়।

চালা রীতি টি বাংলার নিজস্ব কুটির ধারণার থেকে গড়ে উঠেছে। চাল বা  চালা মন্দিরের ছাদ। মন্দিরের তলা বাড়িয়ে অর্থাৎ একতলা দোতলা তিনতলা এইভাবে উপরের আচ্ছাদন অলংকৃত হয়েছে। এক্ষেত্রে দোচালা চারচালা আটচালা বারো চালা এইভাবে মন্দিরগুলি দেখতে পাওয়া যায়। একতলা কি ব্যবহারযোগ্য , অন্যতলাগুলি অলঙ্করন।এই চালার চারিধারে চূড়া বা রত্ন স্থাপন করে রত্ন মন্দির ধারনাটি গড়ে উঠেছে।
উপরোক্ত বিষয়টি ছাড়াও মন্দির স্থাপত্যে বিভিন্ন রকম ধারার প্রয়োগ ঘটেছে। সমস্ত মন্দিরগুলি স্থাপত্য এবং গঠন অনুসারে বর্গীকরণের জন্য আমরা ডেভিড ম্যাককাচ্চন প্রদর্শিত পথটি গ্রহণ করেছি।

বাংলার এই মন্দির স্থাপত্যের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে মন্দিরের সম্মুখভাগের ( facade ) অসম্ভব সুন্দর অলংকরণ। এই অলংকরণগুলি সম্মকভাবে অনুধাবন করতে গেলে মন্দিরের সম্মুখভাগের উপবিভাগ গুলি জানা থাকলে ভালো হয়। উপরের রেখাচিত্রে এর একটা ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করা হলো।

এই শিল্পের সাথে অঙ্গাঙ্গী ভাবে জড়িয়ে আছেন  শিল্পীরা যারা এই মন্দিরগুলি নির্মান ও অলংকরণ করেছিলেন। রাজা জমিদার এবং সমাজের উঁচু অংশের মানুষের অর্থে মন্দিরগুলি নির্মিত হলেও এর অলংকরণের জন্য ডাক পড়তো এই দরিদ্র মানুষগুলির। টেরাকোটা শিল্পে মানব জীবনের যে অফুরন্ত প্রাণ রস দেখা যায় তা উঠে এসেছিল এই শিল্পীদের জীবনবোধ থেকে । মন্দির অলংকরণে সেই কারণেই দেখা যায় দেবতাদের শাস্ত্রীয় রূপের থেকে লৌকিক রূপটাই বেশি। এই শিল্পীদের সমাজে একটা অত্যন্ত সম্মানীয় স্থান ছিল। তারা নিজেদের নামের সঙ্গে মিস্ত্রী ,সূত্রধর , সুতার, কারিগর এই ধরনের পরিচয় জ্ঞাপক শব্দ গুলি ব্যবহার করতেন।

কালের বিবর্তনে এবং ভৌগোলিক সীমার বিভিন্নতায় এই শিল্পের বিভিন্ন রূপ , বিভিন্ন আঙ্গিকের ক্রমবিকাশ আমাদের আকৃষ্ট করে।

The art made by burning clay is called terracotta art. Terracotta decoration in temple architecture is an exceptional tradition of Bengal. Since ancient times in Bengal, bricks have been used in the construction of temples due to lack of stone. This art made of clay is short-lived. Many temples have been destroyed due to this and many more are on the way.
Generally the form of a temple depends on its cover or upper part. According to the shape and characteristics of the covering, the temples of Bengal are divided into four styles: Shikhar style, Peera style, Chala style and Ratna style.

Among them Shikhar and Peera or Bhadra style entered Bengal through the hands of Orissa and Chala and Ratna style are characteristic of Bengal.
In the first two cases the roof or covering of the temple rises straight up from the wall in a descending shape and meets at a fixed point.

The Chala style evolved from Bengal’s own cottage concept. Chala or Chala temple roof. By raising the storeys of the temple i.e. one storey, two storeys and three storeys, the upper cover has been decorated. In this case the temples can be seen as Dochala Fourchala Eightchala Barochala. One floor is usable, the other floors are decorative. The Ratna Mandir concept is developed by placing Chura or Ratna around this Chala.
Apart from the above, various styles have been applied in temple architecture. To classify all the temples according to architecture and structure we have adopted the path shown by David McCutcheon.

One of the characteristics of this temple architecture of Bengal is the incredibly beautiful decoration of the front portion of the temple. To properly appreciate these decorations, it is better to know the subdivisions of the temple facade. The above diagram tries to give an idea of ​​this.

Inextricably linked with this art are the artists who built and decorated these temples. Although the temples were built with the money of the kings , zamindars and people from the upper part of the society, these poor people were called upon to decorate them. The endless vitality of human life that can be seen in the terracotta art emerged from the sense of life of these artists. That is why the secular forms of the deities are seen more than the classical forms in the temple decoration. These artists had a very respectable place in society. They used identifying words such as mistri, sutradhar, sutar, karigar along with their names.
In the evolution of time and different geographical boundaries, the different forms of this art, the development of different aspects attract us.

রাধাগোবিন্দ জীউ Radhagovinda jiu

শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দ মন্দির, লোয়াদা (ডেবরা থানা, জেলা মেদিনীপুর)চিন্ময় দাশ বড় মাপের মন্দির গড়া হয়েছে, কিন্তু কোন না কোনও দুর্বিপাকে, বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়নি—এমন কয়েকটি অভিশপ্ত মন্দির মেদিনীপুর জেলাতেও আছে। এমনই দুর্দৈবের শিকার হয়েছিল ধনবান একটি মোদক পরিবার। মন্দির প্রতিষ্ঠার প্রাক্কালে, ব্জ্রপাত হয় মন্দিরে। দেবতার বিগ্রহ স্থাপন করা হয়নি। [...]

Read More

দাসপুর নাড়াজোল মৃত্যুঞ্জয় শিবমন্দির Daspur Narajole Mrityunjoy Shiv Temple

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুর থানা অঞ্চলে নাড়াজোল রাজবাড়িতে একটি শিব মন্দির দেখতে পাওয়া যায়। আটচালা এই মন্দিরটি মৃত্যুঞ্জয় শিবের মন্দির নামে খ্যাত । পশ্চিমমুখী এই মন্দিরটিতে এক প্রতিষ্ঠা লিপি অনুসারে জানা যায় যে এটি ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত হয়েছিল। মন্দিরটিতে বেশ কিছু টেরাকোটা অলংকরণ আছে।A Shiva temple can be found in Narajol Rajbari in the [...]

Read More

দাসপুর গোপিনাথজিউ Daspur Gopinath Jiu

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুর এলাকায় সিংহ পাড়ায় একটি পূর্বমুখী এক রত্ন মন্দির আছে। এটি সিংহ পরিবার কর্তৃক স্থাপিত গোপীনাথের মন্দির। সামনের দিকে একটি অস্পষ্ট ফলক দেখে বোঝা যায় যে মন্দিরটি ১৬৩৮ শকাব্দ অর্থাৎ ১৭১৬ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। মন্দিরের চুড়াটি ছাদের মাঝখানে এমন ভাবে বসানো যে বাইরে থেকে দেখলে মনে হবে যেন এটি আলগোছে বসানো হয়েছে। [...]

Read More

ঘাটাল সিংহবাহিনী মন্দির Ghatal Singhabahini Temple

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ঘাটাল পৌরসভার অন্তর্গত কোন্নগর গ্রামে কর্মকার পাড়ায় অতি প্রাচীন একটি মন্দির রয়েছে। সিংহ বাহিনীর মন্দির নামে খ্যাত এই মন্দিরটি গঠন বৈশিষ্ট্য একটু অন্যরকম। একটি চার চালা মন্দিরের সামনে আরেকটি চার চালা জগমোহন সংযুক্ত হয়েছে। মূল মন্দিরটি থেকে জগমোহন টি একটু খাটো। দুটি মন্দিরের শীর্ষেই একটি করে ছোট আমলক দেখতে পাওয়া যায়। মন্দ [...]

Read More

গোবিন্দ নগর রাধাগোবিন্দজিউ ও রাধারমনজিউ মন্দির Govinda Nagar Radha Govindajiu and Radharmanjiu Temple

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা দাসপুর থানার অধীনে গোবিন্দ নগর গ্রামে একটি পঞ্চরত্ন টেরাকোটা মন্দির অবস্থান করছে। মন্দিরটি সরকার কর্তৃক সংরক্ষিত। রাধাগোবিন্দ ও রাধারমন মন্দির নামে এটি খ্যাত। দুটি আলাদা আলাদা যুগল মূর্তি এখানে অবস্থান করছে। সরকারি ঘোষণা অনুসারে দেখা যায় মন্দিরটি ১৮৭১ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত। বর্তমানে কোন প্রতিষ্ঠা লিপি লক্ষ্য করতে পারিনি। তারাপ [...]

Read More

ঘাটাল বৃন্দাবনচন্দ্র মন্দির Ghatal Brindavanchandra Temple

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ঘাটাল পৌরসভার অন্তর্গত গোস্বামী পাড়ায় শিলাবতী নদীর কাছে বৃন্দাবন চন্দ্রের মন্দিরটি প্রতিষ্ঠিত। নবরত্ন মন্দিরটি দক্ষিণমুখী। তারাপদ সাঁতরা লিখিত গ্রন্থ অনুযায়ী মন্দিরটির প্রতিষ্ঠাকাল ১৭১৬ শকাব্দ অর্থাৎ ১৭৯৪ খ্রিস্টাব্দ এবং প্রণব রায় লিখিত গ্রন্থে পাওয়া যায় মন্দিরটি ১৭১৩ শকাব্দ অর্থাৎ ১৭৯১ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত। সম্ভবত জ [...]

Read More

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *