image

মসজিদ Mosque

বাংলায় রাজশক্তি পরিবর্তনের সাথে সাথে স্থাপত্য রীতিরও পরিবর্তন ঘটেছে। পাল আমলে বৌদ্ধ স্থাপত্যের যে রীতি ছিল , সেন আমলে তার পরিবর্তন ঘটে। উড়িষ্যা এবং উত্তর ভারত থেকে আগত শিখর রীতির মন্দির প্রচলিত হয়। আবার ইন্দো মুসলিম আমলে মন্দির নির্মাণের ছেদ ঘটে। এই সময়ে মসজিদ নির্মাণ শুরু হয়। আবার ১৪ শতক থেকে মন্দির নির্মাণের একটা ধারা প্রবর্তিত হতে থাকে। পরবর্তীতে মন্দির নির্মাণে ইউরোপীয় প্রভাব পরিলক্ষিত হয়।
যুগ যুগ ধরে বাংলার স্থপতিরাই এই বিভিন্ন রীতিতে কাজ করে এসেছেন। বিভিন্ন সময়ে পুরনো প্রযুক্তির সাথে নতুন ধারার মিশ্রণ ঘটেছে।
গৌড় বিজয়ের পর মুসলিম সুলতানরা এদেশের মানুষের কাছে নিজেদের কর্তৃত্ব এবং প্রভাব প্রকাশ করার জন্য বিভিন্ন সময় মসজিদ মাজার নির্মাণ করতে থাকেন।সবচেয়ে পুরনো যে মসজিদ স্থাপত্য এখনো টিকে আছে সেটি হল হুগলির ত্রিবেণীতে জাফর খানের মসজিদ।
প্রথমদিকে যখন মসজিদ তৈরি শুরু হয় তখন মুসলমান স্থপতির নির্দেশে এদেশীয় কারিগরেরা নির্মাণ কাজ করেন। ফলতঃ অলংকরণে দেশীয় প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। পরবর্তীকালে বিভিন্ন সময় মসজিদের যে রীতি গুলি প্রচলিত হয়েছে তার মধ্যে গম্বুজ, মিনার, মিহরাব , খিলান এগুলিরও বিভিন্ন বিবর্তন হয়েছে।
হোসেন শাহী এবং আফগান আমলের পরে মোগলদের শাসনকাল শুরু হয়। এই শাসনকালে নতুন ঘরানায় মসজিদ এবং অন্যান্য স্থাপত্য গড়ে উঠতে থাকে।
সুলতানি আমলে গৌড় – পান্ডুয়া রাজধানী হিসেবে গড়ে ওঠে । ফলে সুলতানি স্থাপত্য গৌড় পান্ডুয়াকে ঘিরে বিকশিত হয়েছিল। মোগলরা তাদের রাজধানী নিয়ে যায় ঢাকাতে। ফলে মোগল আমলের স্থাপত্যের বিকাশ ঢাকাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠতে থাকে।
বিশিষ্ট পুরাতত্ত্ববিদ নিহার ঘোষ (১৯৫১-২০০৭) মুসলিম আমলের স্থাপত্যকে যেভাবে ভাগ করেছিলেন সেই ভাবেই এখানে মসজিদ স্থাপত্যকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। মুঘল শাসনকালের আগে এবং মুঘল শাসনকালের পরে।

With the change in royal power in Bengal, architectural styles also changed. The style of Buddhist architecture that was prevalent during the Pal period changed during the Sen period. Temples in the Shikhara style, which came from Orissa and North India, became popular. Again, the construction of temples came to an end during the Indo-Muslim period. During this period, the construction of mosques began. Again, a trend of temple construction began to be introduced from the 14th century. Later, European influence was observed in temple construction.
For centuries, Bengali architects have worked in these different styles. At different times, new trends have been mixed with old technologies.

After the conquest of Gaur, Muslim sultans continued to build mosques and shrines at various times to express their authority and influence to the people of this country. The oldest mosque architecture that still survives is the mosque of Zafar Khan in Tribeni, Hooghly.

When the mosque was first built, local craftsmen worked under the direction of Muslim architects. As a result, local influences can be seen in the decoration.The styles of mosques that have been popular over time include domes, minarets, mihrabs, and arches, which have also undergone various evolutions.

After the Hussain Shahi and Afghan periods, the Mughal period began. During this period, mosques and other architecture in new styles began to be built.
During the Sultanate period, Gaur-Pandua became the capital.
After the Hussain Shahi and Afghan periods, the Mughal period began. During this period, mosques and other architecture in new styles began to be built.

During the Sultanate period, Gaur-Pandua became the capital.
As a result, Sultanate architecture developed around Gaur Pandua. The Mughals moved their capital to Dhaka. As a result, the development of Mughal architecture began to develop around Dhaka.
Just as the eminent archaeologist Nihar Ghosh (1951-2007) divided the architecture of the Muslim period, the mosque architecture here has been divided into two parts: before the Mughal period and after the Mughal period.

তাঁতী পাড়া মসজিদ Tanti Para Masjid

মালদা জেলার ইংলিশ বাজার থানা এলাকায় তাঁতিপাড়া গ্রামে এই মসজিদটি অবস্থিত। কাপড় বোনা যাদের পেশা সেই তাঁতিদের পাড়ায় অবস্থিত বলেই হয়তো মসজিদটির নাম তাঁতিপাড়া মসজিদ। কেউ কেউ মসজিদটিকে উমর কাজির মসজিদ হিসাবে চিহ্নিত করেছেন। প্রথম অবস্থায় মসজিদটি ১০ গম্বুজধারী মসজিদ ছিল। পরবর্তীকালে সেগুলি ধ্বংস হয়ে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে টেরাকোটা নিদর্শনের নিরিখে গৌড় পান্ডুয়ার মসজিদগুলির মধ্যে […]

Read More

লোটন মসজিদ Loton Masjid

হাওড়া জেলার ইংলিশ বাজার থানার অন্তর্গত নাজির খানি গ্রামে লোটন মসজিদটি অবস্থিত। এই মসজিদের নামকরণ নিয়ে অনেক রকম কথাই প্রচলিত আছে কারোর মতে নটু নামে কোন এক নটীর দ্বারা এটি নির্মিত হয়েছিল। আবার কেউ বলেন নাথু বা নর্তকী বালিকার মসজিদ। স্থানীয় মানুষের বিশ্বাস যে লুটন বা মীরাবাঈ নামে এক নর্তকী এটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আবার কারো […]

Read More

কুতুবশাহী মসজিদ Qutub Sahi Masjid

মালদা থেকে ১৬ কিলোমিটার দূরে আদিনায় একলাখী সমাধি ভবনের পাশে কুতুব শাহি মসজিদ অবস্থিত। কুতবুল আলমের বংশধর মোঃ আল খালিদ এর পুত্র মঘদুম শেখ এই মসজিদটি ৯৯০ হিজরী তে তৈরি করেন। এই স্থাপত্যটি সোনা মসজিদে নামেও পরিচিত। ইট এবং পাথর দিয়ে এই মসজিদটি তৈরি হয়েছিল। অক্ষত অবস্থায় এর গম্বুজের সংখ্যা ছিল দশ। ভেতর দিকে চার […]

Read More

কদম-ই-রসুল মসজিদ Qudam-E-Rasul Mosque

মালদা জেলার ইংলিশ বাজার থানার অন্তর্গত চন্দননগর গ্রামে কদম -ই- রসুল মসজিদ টি অবস্থিত। নবী হজরত মহম্মদের পদচিহ্ন (কদম -ই- রসুল) এই স্থাপত্য টির ভিতরে অবস্থিত। বিশেষজ্ঞগণের মতে যেহেতু স্মৃতি বা স্মারক ইসলাম ধর্ম বিরুদ্ধ , সে কারণ এই সামগ্রিক বিষয়টিতে হিন্দু সংস্কৃতির প্রভাব পড়েছে।মসজিদের মধ্যে ফলক লিপি অনুসারে হিজরী ৯৩৭ বা ১৫৩১ খ্রিস্টাব্দে সুলতান […]

Read More

চিকা মসজিদ Chika Mosque Chika Masjid

মালদা জেলার গৌড়ে চন্দনগড় এলাকায় চিকা মসজিদ নামক স্থাপত্যটি অবস্থিত। এই স্থাপত্যটি চিকা মসজিদ নামে পরিচিত হলেও এটি কোন মসজিদ নয় বলেই বিশেষজ্ঞরা অভিমত দিয়েছেন। এর অন্যতম কারণ হলো যে এর ভেতরে মসজিদের মতো কোন মেহরাব নেই। কোন কোন বিশেষজ্ঞ অবনটিকে কারাগার বলে অভিহিত করেছিলেন আবার অনেকে রাজকার্যের জন্য ব্যবহৃত কোন কক্ষ হিসেবে একে বর্ণিত […]

Read More

চামকাটি মসজিদ Chamkati Mosque

মালদা জেলার ইংলিশ বাজার থানায় কনকপুর গ্রামে এই স্থাপত্যটি অবস্থিত। আনুমানিক ১৪৭৫ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত চামকাটি মসজিদটির নামকরণ নিয়ে অনেক কথাই প্রচলিত আছে। কেউ কেউ বলেছেন মুসলমানদের মধ্যে চামকাটি বলে একটি সম্প্রদায় তারা মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন তাই এর নাম চামকাটি। কেউ কেউ বলেন গায়ের চামড়া কেটে উপহার দেয়া একটি সম্প্রদায়ের রীতি ছিল তাই এরকম নামকরণ। আবার […]

Read More

বারাদুয়ারী মসজিদ Baraduari Mosque

মালদা জেলার গৌড়ে ইংলিশ বাজার থানায় রামকেলি গ্রামে এই স্থাপত্যটি অবস্থিত। এই মসজিদটি অবশ্যই গৌড়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ স্থাপত্য। মসজিদের সামনে খিলান দ্বারা স্থাপিত ১১ টি উন্মুক্ত দরজা আছে। যদিও আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া মন্দির পরিচিতি বোর্ডের লেখা আছে যে বারটি দরজা সহ একটি বিল্ডিং কিন্তু ১১ টি মাত্র খোলা আছে। এর একটি অন্য ব্যাখ্যাও আছে। […]

Read More

জাফর খাঁ গাজী মসজিদ Jafar Khan Gazi Mosque

হুগলি জেলার ত্রিবেণীতে অন্যতম প্রাচীন সৌধ জাফরখান গাজীর দরগা। স্থাপত্যটি দুটি অংশ নিয়ে গঠিত, মসজিদ এবং দরগা। একটি উঁচু ঢিবির ওপরে সমস্ত স্থাপত্যটি রয়েছে। ১২৯৮ সালে দিল্লির সুলতানের সেনাপ্রধান জাফর খান গাজী এই দরগাটি তৈরি করেন। দশ গম্বুজযুক্ত প্রাচীন স্থাপত্যটি তৈরি হয় ১৩১৫ খ্রিস্টাব্দ। এতাবৎ কাল পর্যন্ত পাওয়া মসজিদগুলির মধ্যে এটি প্রাচীনতম।এই স্থাপত্যটি নিয়ে শ্রদ্ধেয় […]

Read More

আদিনা মসজিদ Adina mosque

আদিনা মসজিদ প‌্রাচীন স্থাপত্য়

Read More

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মসজিদ Mosque

বাংলায় রাজশক্তি পরিবর্তনের সাথে সাথে স্থাপত্য রীতিরও পরিবর্তন ঘটেছে। পাল আমলে বৌদ্ধ স্থাপত্যের যে রীতি ছিল , সেন আমলে তার পরিবর্তন ঘটে। উড়িষ্যা এবং উত্তর ভারত থেকে আগত শিখর রীতির মন্দির প্রচলিত হয়। আবার ইন্দো মুসলিম আমলে মন্দির নির্মাণের ছেদ ঘটে। এই সময়ে মসজিদ নির্মাণ শুরু হয়। আবার ১৪ শতক থেকে মন্দির নির্মাণের একটা ধারা প্রবর্তিত হতে থাকে। পরবর্তীতে মন্দির নির্মাণে ইউরোপীয় প্রভাব পরিলক্ষিত হয়।
যুগ যুগ ধরে বাংলার স্থপতিরাই এই বিভিন্ন রীতিতে কাজ করে এসেছেন। বিভিন্ন সময়ে পুরনো প্রযুক্তির সাথে নতুন ধারার মিশ্রণ ঘটেছে।
গৌড় বিজয়ের পর মুসলিম সুলতানরা এদেশের মানুষের কাছে নিজেদের কর্তৃত্ব এবং প্রভাব প্রকাশ করার জন্য বিভিন্ন সময় মসজিদ মাজার নির্মাণ করতে থাকেন।সবচেয়ে পুরনো যে মসজিদ স্থাপত্য এখনো টিকে আছে সেটি হল হুগলির ত্রিবেণীতে জাফর খানের মসজিদ।
প্রথমদিকে যখন মসজিদ তৈরি শুরু হয় তখন মুসলমান স্থপতির নির্দেশে এদেশীয় কারিগরেরা নির্মাণ কাজ করেন। ফলতঃ অলংকরণে দেশীয় প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। পরবর্তীকালে বিভিন্ন সময় মসজিদের যে রীতি গুলি প্রচলিত হয়েছে তার মধ্যে গম্বুজ, মিনার, মিহরাব , খিলান এগুলিরও বিভিন্ন বিবর্তন হয়েছে।
হোসেন শাহী এবং আফগান আমলের পরে মোগলদের শাসনকাল শুরু হয়। এই শাসনকালে নতুন ঘরানায় মসজিদ এবং অন্যান্য স্থাপত্য গড়ে উঠতে থাকে।
সুলতানি আমলে গৌড় – পান্ডুয়া রাজধানী হিসেবে গড়ে ওঠে । ফলে সুলতানি স্থাপত্য গৌড় পান্ডুয়াকে ঘিরে বিকশিত হয়েছিল। মোগলরা তাদের রাজধানী নিয়ে যায় ঢাকাতে। ফলে মোগল আমলের স্থাপত্যের বিকাশ ঢাকাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠতে থাকে।
বিশিষ্ট পুরাতত্ত্ববিদ নিহার ঘোষ (১৯৫১-২০০৭) মুসলিম আমলের স্থাপত্যকে যেভাবে ভাগ করেছিলেন সেই ভাবেই এখানে মসজিদ স্থাপত্যকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। মুঘল শাসনকালের আগে এবং মুঘল শাসনকালের পরে।

With the change in royal power in Bengal, architectural styles also changed. The style of Buddhist architecture that was prevalent during the Pal period changed during the Sen period. Temples in the Shikhara style, which came from Orissa and North India, became popular. Again, the construction of temples came to an end during the Indo-Muslim period. During this period, the construction of mosques began. Again, a trend of temple construction began to be introduced from the 14th century. Later, European influence was observed in temple construction.
For centuries, Bengali architects have worked in these different styles. At different times, new trends have been mixed with old technologies.

After the conquest of Gaur, Muslim sultans continued to build mosques and shrines at various times to express their authority and influence to the people of this country. The oldest mosque architecture that still survives is the mosque of Zafar Khan in Tribeni, Hooghly.

When the mosque was first built, local craftsmen worked under the direction of Muslim architects. As a result, local influences can be seen in the decoration.The styles of mosques that have been popular over time include domes, minarets, mihrabs, and arches, which have also undergone various evolutions.

After the Hussain Shahi and Afghan periods, the Mughal period began. During this period, mosques and other architecture in new styles began to be built.
During the Sultanate period, Gaur-Pandua became the capital.
After the Hussain Shahi and Afghan periods, the Mughal period began. During this period, mosques and other architecture in new styles began to be built.

During the Sultanate period, Gaur-Pandua became the capital.
As a result, Sultanate architecture developed around Gaur Pandua. The Mughals moved their capital to Dhaka. As a result, the development of Mughal architecture began to develop around Dhaka.
Just as the eminent archaeologist Nihar Ghosh (1951-2007) divided the architecture of the Muslim period, the mosque architecture here has been divided into two parts: before the Mughal period and after the Mughal period.

তাঁতী পাড়া মসজিদ Tanti Para Masjid

মালদা জেলার ইংলিশ বাজার থানা এলাকায় তাঁতিপাড়া গ্রামে এই মসজিদটি অবস্থিত। কাপড় বোনা যাদের পেশা সেই তাঁতিদের পাড়ায় অবস্থিত বলেই হয়তো মসজিদটির নাম তাঁতিপাড়া মসজিদ। কেউ কেউ মসজিদটিকে উমর কাজির মসজিদ হিসাবে চিহ্নিত করেছেন। প্রথম অবস্থায় মসজিদটি ১০ গম্বুজধারী মসজিদ ছিল। পরবর্তীকালে সেগুলি ধ্বংস হয়ে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে টেরাকোটা নিদর্শনের নিরিখে গৌড় পান্ডুয়ার মসজিদগুলির মধ্যে […]

Read More

লোটন মসজিদ Loton Masjid

হাওড়া জেলার ইংলিশ বাজার থানার অন্তর্গত নাজির খানি গ্রামে লোটন মসজিদটি অবস্থিত। এই মসজিদের নামকরণ নিয়ে অনেক রকম কথাই প্রচলিত আছে কারোর মতে নটু নামে কোন এক নটীর দ্বারা এটি নির্মিত হয়েছিল। আবার কেউ বলেন নাথু বা নর্তকী বালিকার মসজিদ। স্থানীয় মানুষের বিশ্বাস যে লুটন বা মীরাবাঈ নামে এক নর্তকী এটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আবার কারো […]

Read More

কুতুবশাহী মসজিদ Qutub Sahi Masjid

মালদা থেকে ১৬ কিলোমিটার দূরে আদিনায় একলাখী সমাধি ভবনের পাশে কুতুব শাহি মসজিদ অবস্থিত। কুতবুল আলমের বংশধর মোঃ আল খালিদ এর পুত্র মঘদুম শেখ এই মসজিদটি ৯৯০ হিজরী তে তৈরি করেন। এই স্থাপত্যটি সোনা মসজিদে নামেও পরিচিত। ইট এবং পাথর দিয়ে এই মসজিদটি তৈরি হয়েছিল। অক্ষত অবস্থায় এর গম্বুজের সংখ্যা ছিল দশ। ভেতর দিকে চার […]

Read More

কদম-ই-রসুল মসজিদ Qudam-E-Rasul Mosque

মালদা জেলার ইংলিশ বাজার থানার অন্তর্গত চন্দননগর গ্রামে কদম -ই- রসুল মসজিদ টি অবস্থিত। নবী হজরত মহম্মদের পদচিহ্ন (কদম -ই- রসুল) এই স্থাপত্য টির ভিতরে অবস্থিত। বিশেষজ্ঞগণের মতে যেহেতু স্মৃতি বা স্মারক ইসলাম ধর্ম বিরুদ্ধ , সে কারণ এই সামগ্রিক বিষয়টিতে হিন্দু সংস্কৃতির প্রভাব পড়েছে।মসজিদের মধ্যে ফলক লিপি অনুসারে হিজরী ৯৩৭ বা ১৫৩১ খ্রিস্টাব্দে সুলতান […]

Read More

চিকা মসজিদ Chika Mosque Chika Masjid

মালদা জেলার গৌড়ে চন্দনগড় এলাকায় চিকা মসজিদ নামক স্থাপত্যটি অবস্থিত। এই স্থাপত্যটি চিকা মসজিদ নামে পরিচিত হলেও এটি কোন মসজিদ নয় বলেই বিশেষজ্ঞরা অভিমত দিয়েছেন। এর অন্যতম কারণ হলো যে এর ভেতরে মসজিদের মতো কোন মেহরাব নেই। কোন কোন বিশেষজ্ঞ অবনটিকে কারাগার বলে অভিহিত করেছিলেন আবার অনেকে রাজকার্যের জন্য ব্যবহৃত কোন কক্ষ হিসেবে একে বর্ণিত […]

Read More

চামকাটি মসজিদ Chamkati Mosque

মালদা জেলার ইংলিশ বাজার থানায় কনকপুর গ্রামে এই স্থাপত্যটি অবস্থিত। আনুমানিক ১৪৭৫ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত চামকাটি মসজিদটির নামকরণ নিয়ে অনেক কথাই প্রচলিত আছে। কেউ কেউ বলেছেন মুসলমানদের মধ্যে চামকাটি বলে একটি সম্প্রদায় তারা মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন তাই এর নাম চামকাটি। কেউ কেউ বলেন গায়ের চামড়া কেটে উপহার দেয়া একটি সম্প্রদায়ের রীতি ছিল তাই এরকম নামকরণ। আবার […]

Read More

বারাদুয়ারী মসজিদ Baraduari Mosque

মালদা জেলার গৌড়ে ইংলিশ বাজার থানায় রামকেলি গ্রামে এই স্থাপত্যটি অবস্থিত। এই মসজিদটি অবশ্যই গৌড়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ স্থাপত্য। মসজিদের সামনে খিলান দ্বারা স্থাপিত ১১ টি উন্মুক্ত দরজা আছে। যদিও আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া মন্দির পরিচিতি বোর্ডের লেখা আছে যে বারটি দরজা সহ একটি বিল্ডিং কিন্তু ১১ টি মাত্র খোলা আছে। এর একটি অন্য ব্যাখ্যাও আছে। […]

Read More

জাফর খাঁ গাজী মসজিদ Jafar Khan Gazi Mosque

হুগলি জেলার ত্রিবেণীতে অন্যতম প্রাচীন সৌধ জাফরখান গাজীর দরগা। স্থাপত্যটি দুটি অংশ নিয়ে গঠিত, মসজিদ এবং দরগা। একটি উঁচু ঢিবির ওপরে সমস্ত স্থাপত্যটি রয়েছে। ১২৯৮ সালে দিল্লির সুলতানের সেনাপ্রধান জাফর খান গাজী এই দরগাটি তৈরি করেন। দশ গম্বুজযুক্ত প্রাচীন স্থাপত্যটি তৈরি হয় ১৩১৫ খ্রিস্টাব্দ। এতাবৎ কাল পর্যন্ত পাওয়া মসজিদগুলির মধ্যে এটি প্রাচীনতম।এই স্থাপত্যটি নিয়ে শ্রদ্ধেয় […]

Read More

আদিনা মসজিদ Adina mosque

আদিনা মসজিদ প‌্রাচীন স্থাপত্য়

Read More

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *