হাট শৈলী Hut Style
হরিপাল শিব মন্দির Haripal Shiv Temple
হুগলি জেলার হরিপাল থানার মধ্যে রায় পাড়াতে সর্ব প্রাচীন যে মন্দিরটি আছে সেটি হল ১৬৫৪ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত রাধাগোবিন্দ মন্দির। এই মন্দির এবং দুর্গা দালান সংলগ্ন “সাতবাড়ি রায়বংশীয় শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ জিউ” প্রবেশ তোরণের সামনে একটি অতি প্রাচীন আটচালা শিব মন্দির রয়েছে। অনুমান এই মন্দিরটি সপ্তদশ শতকে নির্মিত হয়েছিল। এটি ১৭৫৯ সালে সংস্কার করা হয়্। […]
Read More
মহানাদ অন্নপূর্ণা মন্দির Mahanad Annapurna Temple
হুগলি জেলার পোলবা দাদপুর ব্লকের অন্তর্গত মহানাদ – জাততলা গ্রামে যে স্থাপত্যটি বর্তমান সেটি হল জটেশ্বর নাথের শিব মন্দির সংলগ্ন একটি জোড়বাংলা অন্নপূর্ণা মন্দির। এই মন্দিরটি ১৯৯৮ সালে সংস্কার করা হয়। সম্ভবত অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে স্থাপত্যটি তৈরি করা হয়েছিল।মহানাদ হুগলি জেলার একটি প্রসিদ্ধ ঐতিহাসিক স্থান এখানে থেকে প্রচুর প্রত্নতাত্ত্বিক সামগ্রী পাওয়া গেছে। গুপ্ত যুগের […]
Read More
নাথ পরিবারের শিব মন্দির Shiv Temple of Nath Family
পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারি এক ব্লকে আমাদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনস্থ বাজার পাড়ায় নাথ পরিবার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত আটচালা শিব মন্দির টি অবস্থিত। অষ্টাদশ শতকের নির্মিত মন্দিরটি আটচালা শৈলীর একটি স্থাপত্য। পূর্বমুখী মন্দিরটি দৈর্ঘ্যে ১০ ফুট প্রস্থে ১০ ফুট এবং উচ্চতায় ২০ ফুট। মন্দিরটি জীর্ণ হলেও এখনো প্রচুর টেরাকোটা ফলক বর্তমান। মন্দিরটি সংরক্ষণের জন্য পারিবারিক উদ্যোগ প্রশংসনীয়। […]
Read More
আমাদপুর নন্দীদের শিবমন্দির Amaqpur Nandy Family Shiv Temple
পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারি এক ব্লকে আমাদ পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনস্থ নন্দী পাড়ায় নন্দী পরিবার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত আটচালা শিব মন্দির টি অবস্থিত। ১৭৯২ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত এই মন্দিরটি তে প্রবেশ পথের খিলানের ওপর প্রচুর সুসজ্জিত টেরাকোটা ফলক ছিল। মন্দিরের বিগ্রহ শিব বর্তমানেও নিত্য পূজিত হন। মন্দিরটি এখন ধ্বংসাবশেষে পরিণত হতে চলেছে। এর টেরাকোটা সজ্জার বিবরণ যজ্ঞেশ্বর […]
Read More
আমাদপুর জোড় বাংলা মন্দির Amadpur Jor Bangla Temple
পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারি এক ব্লকে আমাদ পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনস্থ হরিসভা পাড়ায় দাস পরিবার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত একটি জোড় বাংলা মন্দির আছে। অষ্টাদশ শতকের মধ্যভাগে এই মন্দিরটি স্থাপিত হয়েছিল পাশাপাশি দুটি দোচালা মন্দির সন্নিবদ্ধ হয়ে রীতি অনুসারে জোড়বাংলা স্থাপত্যটি তৈরি হয়েছে। জোর বাংলার ভেতরের অংশটিতে দামোদরের বিগ্রহ আছে এবং বাইরের অংশটি ভক্ত সমাবেশের স্থান। ত্রিখিলান […]
Read More
বড় কালিতলা শিব মন্দির পরিত্যক্ত Bara Kalitala Shiv Temple ( abondoned)
পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারি এক ব্লকে আমাদ পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনস্থ বড় কালীতলা পাড়ায় আটচালা শিব মন্দিরটি অবস্থিত। এই অঞ্চলে প্রসিদ্ধ মন্দির বড় মা কালী। এই মন্দিরের পাশে রাস্তার ওপর একটি আটচালা শিব মন্দির আছে। বর্তমানে মন্দিরটি জীর্ণ এবং পরিত্যক্ত। এত সত্বেও মন্দিরের ভিত্তি লাখোয়া অংশগুলিতে বেশ কিছু টেরাকোটা ফলক রয়েছে। সমাজ চিত্র, পৌরাণিক কাহিনী […]
Read More
বন্দোপাধ্যায় পরিবারের মদনগোপাল মন্দির Madangopal Temple of Bandopadhya Family
পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারি এক ব্লকে আমাদ পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনস্থ হরিসভা পাড়ায় মদন গোপাল মন্দিরটি অবস্থিত। লাগোয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারের প্রতিষ্ঠিত এই মন্দিরটি অপরূপ টেরাকোটা কাজে সমৃদ্ধ। উঁচু ভিত্তি ভূমির উপর প্রতিষ্ঠিত আটচালা মন্দিরটি দক্ষিণ মুখী এবং ত্রিখিলান বারান্দা যুক্ত একটি স্থাপত্য। প্রতিষ্ঠা লিপি অনুসারে দেখা যায় যে মন্দিরটি ১১৩৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল অর্থাৎ ১৭৩০ […]
Read More
লক্ষীপারি রাধাগোবিন্দ Lakshmipari Radhagobonda
পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার পিংলা থানার ভেতরে বাস রাস্তা থেকে প্রায় চার পাঁচ কিলোমিটার কংক্রিটের পথ ধরে এগিয়ে গেলে পাওয়া যাবে লক্ষীপারি গ্রাম। বৈষ্ণব প্রভাব যুক্ত এই গ্রামে রাধাগোবিন্দ মন্দির টি অভিনব। জোড় বাংলা রীতিতে তৈরি এই ঘরানার মন্দির পশ্চিমবঙ্গে আর আছে কিনা জানা নেই। দুটি চারচালা মন্দির সামনে এবং পেছনে জুড়ে জোড় বাংলা ঘরানায় এই […]
Read More
শ্যামচাঁদ মন্দির Shyamchand Temple
নদীয়া জেলার শান্তিপুরে শ্যামচাঁদ পাড়ায় অবস্থিত আটচালা মন্দিরটি স্থাপত্যের এক অপরূপ নিদর্শন। লিপি অনুসারে ১৬৪৮ শক অর্থাৎ ১৭২৬ খ্রিস্টাব্দে মন্দিরটি তৈরি হয়েছিল। মন্দিরটির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন স্থানীয় রামগোপাল খাঁ চৌধুরী। কথিত আছে, মন্দির নির্মাণে দু লক্ষ টাকা খরচ হয়েছিল। মন্দিরের বিগ্রহ কৃষ্ণমূর্তি কষ্টিপাথরের তৈরি। প্রথম অবস্থায় রাধার মূর্তিতে ছিল সোনার। মন্দিরের সামনে খুব বড় একটি নাটমন্দির […]
Read More
জলেশ্বর মন্দির Jaleswar Temple
প্রখ্যাত বৈষ্ণব তীর্থ শান্তিপুর অত্যন্ত পুরাকীর্তি সমৃদ্ধ স্থান। এখানে তিলি পাড়ায় জলেশ্বর মন্দিরটি পুরাকীর্তর এক অনন্য নিদর্শন। প্রতিষ্ঠা লিপির অভাবে পারিপার্শ্বিকতার বিচারে গুণীজনের মতে আঠারো শতকের প্রথম দিকে নদীয়ার রাজা রুদ্র রায়ের ছোট পুত্র রামকৃষ্ণের মাতা দেবী এটি প্রতিষ্ঠা করেন। সে সময় শিবলিঙ্গটির নাম ছিল রুদ্রকান্ত। কথিত আছে একবার অনাবৃষ্টির সময় বিজয় কৃষ্ণ গোস্বামী বৃষ্টি […]
Read More