হুগলি জেলার পোলবা দাদপুর ব্লকের অন্তর্গত মহানাদ হুগলি জেলার একটি প্রসিদ্ধ ঐতিহাসিক স্থান এখানে থেকে প্রচুর প্রত্নতাত্ত্বিক সামগ্রী পাওয়া গেছে। গুপ্ত যুগের কিছু নিদর্শন ভারতীয় জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।
এই গ্রামের কর পাড়ায় অবস্থিত বিখ্যাত লালজীউ মন্দির। ১৩৩৫ বঙ্গাব্দে প্রকাশিত, প্রদীপ্ত বন্দোপাধ্যায় সম্পাদিত " মহানাদ বা বাংলার গুপ্ত ইতিহাস "গ্রন্থে এই মন্দিরটির একটি বর্ণনা পাওয়া যায়। এই বইয়ে বর্ণিত মন্দির প্রতিষ্ঠা লিপিতে দেখা যায় -
"শ্রী শ্রী কৃষ্ণ চৈতন্য
পদাশ্রিত
শ্রীশ্রীলাল জিউ প্রভুর প্রীত্যর্থে
শ্রীমন্দির প্রস্তুত হয়।
শকাব্দ ১৭৭৩।
সহজরাম দাস কর রাম সুধীর দাস কর
তস্যপুত্র শ্রী অর্জুন দাস কর। তস্য স্ত্রী দ্রবময়ী দাসী "
এই মন্দিরটির আরেকটি বর্ণনা নরেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য লিখিত 'হুগলি জেলার পুরাকীর্তি' গ্রন্থে লিপিবদ্ধ আছে।
১৮৫১ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত এই মন্দিরটি এক কথায় অভূতপূর্ব। পিরামিডের মতো এক চূড়া মন্দিরটি অনেক দূর থেকে চোখে পড়ে। অত্যন্ত উঁচু এই চূড়ার মাথাটি গম্বুজ আকৃতি। প্রবেশ খিলান গুলিতে গ্রীক প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। বর্তমানে পরিত্যক্ত এই মন্দিরটি তে বাজ পড়ে চূড়া থেকে ভিত্তি পর্যন্ত এক ফাটল দেখা দিয়েছে। বহু পূর্বেই মন্দিরে প্রতিষ্ঠিত রাধাকৃষ্ণের মূর্তি অন্যত্র সরিয়ে রাখা হয়েছে।
Mahanad, a famous historical site in Polba Dadpur block of Hooghly district, has yielded a large number of archaeological finds. Some of the artifacts from the Gupta period are preserved in the Indian Museum.
The famous Laljiu Temple is located in Kar Para of this village. A description of this temple is found in the book "Mahanada or the Secret History of Bangla" edited by Pradipta Bandopadhyay, published in 1335 bangabda . The temple foundation inscription mentioned in this book states -
"Śrī śrī kr̥ṣṇa caitan'ya
padāśrita
śrīśrīlāla ji'u prabhura prītyarthē
śrīmandira prastuta haẏa.
Śakābda 1773.
Sahajarāma dāsa kara Rāma sudhīra dāsa kara
tasyaputra śrī Arjuna dāsa kara. Tasya strī drabamaẏī dāsī"
Another description of this temple is recorded in the book 'Hooghly jelar purakirti' written by Narendranath Bhattacharya.
Built in 1851 AD, this temple is in a word unprecedented. The temple, with a pyramid-like peak, is visible from a long distance. The top of this very high peak is domed. Greek influence can be seen in the entrance arches. This temple, which is now abandoned, has a crack from the peak to the base due to a lightning strike.
The idol of Radha Krishna, which was installed in the temple long ago, has been moved elsewhere.


